
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রধান জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ এফ ডানফোর্ড বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী স্বার্থ রয়েছে এবং অঞ্চলটিকে প্রভাবিত করার জন্য সেখানে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে চায়।
সন্ত্রাস নিয়ে আলোচনা করতে আগামী সপ্তাহে পাকিস্তানে আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল পম্পেও। জেনারেল ডানফোর্ড তাঁর সফরসঙ্গী হচ্ছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস এ কথা জানিয়েছেন।
করাচির প্রভাবশালী দৈনিক ডনের এক খবরে বলা হয়, গত মঙ্গলবার বিকেলে পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে ম্যাটিস আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার পরিবর্তে ভাড়াটে বাহিনী দিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
জেনারেল ডানফোর্ড, যিনি ওই ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী স্বার্থ রয়েছে এবং ওই অঞ্চলে প্রভাব রাখতে সেখানে নিজেদের উপস্থিতি বজায়’ রাখতে চায়।
ডানফোর্ড বলেন, ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তিনি দেশটির নতুন সরকারের সঙ্গে মিলিত হতে যাচ্ছেন।
তাঁদের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা আছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস বলেন, পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময়ে প্রতিনিধিরা সবার সাধারণ শত্রু সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কী করতে হবে, সে ব্যাপারে খোলামেলা কথা বলবেন।
জেনারেল ডানফোর্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক উভয় উপস্থিতিই বজায় রাখবে এবং সময়ের সঙ্গে সেই উপস্থিতির রূপ বদলাবে।
শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, এটি কেবল যাত্রাবিরতি, কোনো পূর্ণাঙ্গীন সফর নয়। প্রতিনিধিদলে জেনারেল ডানফোর্ডের অন্তর্ভুক্তি সেই জল্পনা দূর করল। মার্কিন পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদ্বয় যুক্তরাষ্ট্র ও দিল্লির মধ্যে প্রথম টু-প্লাস-টু আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন।