
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ যুদ্ধ তাঁর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সমর্থকদের সঙ্গে চূড়ান্ত বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, তিনি বিদেশে হস্তক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালায়। যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। হামলার এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটনে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর প্রতি দলীয় সমর্থন বিভক্ত হয়ে গেছে। ট্রাম্প যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন কি না, সে প্রশ্নে কংগ্রেসে ভোটাভুটি হয়েছে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট ট্রাম্পের যুদ্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
সিএনএনের জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ শতাংশ রিপাবলিকান যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন। আর ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে যুদ্ধকে সমর্থন দিয়েছেন মাত্র ১৮ শতাংশ।
ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের মধ্যে যাঁরা যুদ্ধকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেন, তাঁদের মধ্যেও সংঘাত এগিয়ে নেওয়ার ধরন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য–সংক্রান্ত একটি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে বলেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরানে স্থল সেনা পাঠানো নিয়ে হেগসেথ এবং মার্কো রুবিওর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। জানা গেছে, হেগসেথ স্থল অভিযান চালাতে চাচ্ছিলেন। আর রুবিও ঝুঁকিগুলো নিয়ে বেশি সতর্ক ছিলেন।
এই যুদ্ধ ট্রাম্পের প্রশাসন এবং তাঁর ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ (এমএজিএ বা মাগা) আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যকার সাংঘর্ষিক চিত্রকে সামনে নিয়ে এসেছে। ইরানে হামলার প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার সক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে যাচ্ছিল ইরান।
আর ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে এমন এক হামলায় যোগ দিয়েছে, যা যে কোনোভাবেই হোক ঘটতো।
যুদ্ধের সম্ভাব্য সময়সীমা এবং বিজয়ের সম্ভাবনা নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভিন্ন মত দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ না করলে যুদ্ধ অনন্তকাল চলতে পারে। আর ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেছেন, ট্রাম্প কখনোই দেশের মানুষকে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধের দিকে ঠেলবেন না।
ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ জোট অনেক বড় এবং এই ধরনের বিরোধ স্বাভাবিক। ইরানে যুদ্ধের আগে ট্রাম্প ফিলিস্তিনপন্থী টাকার কার্লসন এবং কট্টর ইসরায়েলপন্থী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের পরামর্শ নিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের মন্ত্রিপরিষদে আছেন তুলসী গ্যাবার্ড যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ট্রাম্প ব্যয়বহুল ও অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ বন্ধ করবেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদে আছেন পিট হেগসেথ। তিনি তাঁর বক্তৃতায় শত্রুদের ‘মেরে ফেলা ও ধ্বংস করা’ এবং জাতির শত্রুদের কাছ থেকে ‘মার্কিন শক্তিকে মুক্ত করার‘ হুমকি দিয়েছেন।
এখন যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, তখন এই মতপার্থক্য আর শুধু কথার মধ্যে থেমে নেই। সবচেয়ে স্পষ্ট বিভাজন দেখা গেছে জে ডি ভ্যান্স এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বাকি দলের মধ্যে।
ভ্যান্স কোথায় ছিলেন
২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে জে ডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের আগ্রহের জায়গাটা খুবই স্পষ্ট। আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে চাই না। এতে অনেক সম্পদ নষ্ট হবে। আমাদের দেশের জন্য এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল হবে।’
মেরিন কোরের সাবেক সেনা ভ্যান্স রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘরোয়া বিষয়গুলোর দিকে বেশি মনোযোগ দিতে উৎসাহিত করে থাকেন। ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার সমালোচকদের একজন ছিলেন ভ্যান্স। ভ্যান্স ২০২৩ সালে এক মন্তব্য প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তাঁর সমর্থন জানান। মন্তব্য প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘ট্রাম্পের সেরা বৈদেশিক নীতি কী? কোনো যুদ্ধ শুরু না করা।’
যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলো, তখন ভ্যান্সকে কোথাও দেখা গেল না। তিন দিন তিনি প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি। শুধু হোয়াইট হাউস প্রকাশিত কিছু ছবিতে তাঁকে দেখা গেছে। এতে গুঞ্জন উঠেছে, ভ্যান্স কোণঠাসা হয়ে আছেন।
একটি ছবিতে দেখা যায়, ট্রাম্পের মালিকানাধীন মার–এ–লাগোতে অস্থায়ীভাবে তৈরি করা একটি কক্ষ থেকে তিনি যুদ্ধপরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁর পাশে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ।
ট্রাম্পের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের কেউ কেউ এ যুদ্ধ নিয়ে ঐক্যবদ্ধ। আবার কেউ কেউ যুদ্ধ নিয়ে বিভক্ত। আরও ক্ষতি হওয়া, দ্রুত বিজয় না আসা বা ইরানি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পারস্য উপসাগর থেকে সরে যাওয়া—সবই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্য ছবিতে দেখা গেছে, জে ডি ভ্যান্স হোয়াইট হাউস থেকে যুদ্ধের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সকে যখন প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে দেখা গেল, ততক্ষণে যুদ্ধ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে। তবে সেদিন আর তাঁর কণ্ঠে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিরোধিতা শোনা গেল না। বরং তিনি সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের দর্শকদের কাছে এই সংঘাতের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে প্রস্তুত ছিলেন।
ভ্যান্স ফক্স নিউজকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ঠিকঠাক মতো জানেন, তিনি কী অর্জন করতে চান। এটা একেবারেই অসম্ভব, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছাড়াই ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দেশকে বহু বছরের সংঘাতের দিকে যেতে দেবেন।
রুবিওর উত্থান
সরাসরি যুদ্ধের প্রতি বিরোধিতার অবস্থান থেকে সরে এসে ভ্যান্স এখন ‘দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত’ বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।
ভাইস প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে উপেক্ষিত হতে এবং নিজের অবস্থান বদলাতে দেখা গেছে।
যেমন ভ্যান্স ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল সম্পূর্ণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং পরে হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে তিরস্কার করেছিলেন। এরপরও যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভকে গোয়েন্দা, নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে এবং যুদ্ধের জন্য অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও অর্থ প্রদানে ইউরোপীয় দেশগুলো মূল দায়িত্ব পালন করছে।
ভ্যান্স এক সময় ‘সারা বিশ্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ছড়ি ঘোরানো উচিত’–এমন ধারণাটি নিয়ে উপহাস করতেন। অথচ ট্রাম্প যখন পুলিশি অভিযানের ছলে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে আসার আদেশ দিলেন, তখন ভ্যান্স চুপচাপ হাত গুটিয়ে বসে থাকলেন।
এসব ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ট্রাম্প স্পষ্টতই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর পক্ষে থেকেছেন। এ রুবিও অন্য দেশে হস্তক্ষেপের পক্ষপাতী। ট্রাম্প নিজেও তাঁর নির্বাচনের রাতের প্রতিশ্রুতির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনের রাতে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছি না। আমি যুদ্ধ থামাব।’
প্রতিটি ক্ষেত্রে ভ্যান্স তাঁর আগের অবস্থান বদলে দিয়ে ট্রাম্পের কার্যকলাপকে সঠিক বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর ক্রমাগত উত্থান ঘটেছে। উল্লেখজনক বিষয় হলো, ২০২৫ সালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ভ্যান্সকে পাঠালেও ২০২৬ সালে মার্কো রুবিওকে পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু হওয়ার ৪ দিন আগে ট্রাম্প স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বিশেষভাবে মার্কো রুবিওর প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনি চমৎকার কাজ করেছেন।’
ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘দারুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি মনে করি, তিনি ইতিহাসে সেরা হিসেবে পরিচিত হবেন।’
হেগসেথ কি স্থলযুদ্ধ চান
ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের মধ্যে যাঁরা যুদ্ধকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেন, তাঁদের মধ্যেও সংঘাত এগিয়ে নেওয়ার ধরন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংক্রান্ত একটি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে বলেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরানে স্থল সেনা পাঠানো নিয়ে হেগসেথ এবং মার্কো রুবিওর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়েছে।
জানা গেছে, হেগসেথ স্থল অভিযান চালাতে চাচ্ছিলেন। আর রুবিও ঝুঁকিগুলো নিয়ে বেশি সতর্ক ছিলেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ওই প্রতিবেদনটিকে ‘শতভাগ মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেছে। এ ব্যাপারে এখনো মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনটি সত্য বা মিথ্যা যা–ই হোক না কেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো হেগসেথ এবং রুবিওর কথিত বিতর্ক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, ওয়াশিংটনে বার্তা শৃঙ্খলায় গুরুতর ভাঙন ঘটেছে। বিভিন্ন গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে লড়ছে।
যুদ্ধের সময় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হলেও ট্রাম্পের কর্মকর্তাদের আচরণে মনে হচ্ছে, প্রেসিডেন্টের দলের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযানের পুরোপুরি পরিকল্পনা করা হয়নি।
সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জেরাল্ড ফিয়ারস্টেইন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে বলেন, ‘আমরা যা দেখেছি, তা একেবারেই আকস্মিক অভিযান। মনে হয়েছে, কেউই আসলে বুঝতে পারছিলেন না বা বিশ্বাস করছিলেন না যে সামরিক অভিযান আসন্ন। মনে হয়েছে, তাঁরা গত শনিবার সকালে হঠাৎ জেগে ঠিক করেছেন, তারা যুদ্ধ শুরু করবেন।’
ট্রাম্পের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের কেউ কেউ এ যুদ্ধ নিয়ে ঐক্যবদ্ধ। আবার কেউ কেউ যুদ্ধ নিয়ে বিভক্ত। আরও ক্ষতি হওয়া, দ্রুত বিজয় না আসা বা ইরানি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পারস্য উপসাগর থেকে সরে যাওয়া—সবই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এজন্য বিশেষ করে ভ্যান্সকে গুরুতর পরিণাম ভোগ করতে হতে পারে। ট্রাম্প যদিও তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্টকে পাশে সরিয়ে রুবিওকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, তবু ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে ভ্যান্স এখনো প্রধান প্রতিযোগী।
তবে সে পর্যন্ত ভ্যান্সকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে। তা হচ্ছে–হয় দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করা নীতি মেনে চলা এবং যুদ্ধপন্থী প্রেসিডেন্টের সমর্থন হারানো। না হলে ট্রাম্পকে খোলাখুলি সমর্থন করা এবং ‘আমেরিকা ফাস্ট৴’ সমর্থক শিবিরের সমর্থন হারানো।
ভ্যান্সের দুই মতাদর্শিক মিত্র মেগেন কেলি এবং টাকার কার্লসন ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন। কেলি এ যুদ্ধ নিয়ে ‘গুরুতর সন্দেহ’ প্রকাশ করেছেন। আর টাকার কার্লসন একে ‘একেবারে জঘন্য ও নীতিভ্রষ্ট’ বলে উল্লেখ করেছেন।
কিছু জনমত জরিপেও দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি ভোটারদের সমর্থনের হার স্থির নয়। চলতি সপ্তাহে রয়টার্স/ইপসস জরিপে দেখা গেছে, ৪৫ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক হয় হামলার বিরোধী, নয়তো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।