উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কামিশলির গ্রামাঞ্চলে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে যৌথ টহলের সময় পাহারারত মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের এক সেনা। ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কামিশলির গ্রামাঞ্চলে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে যৌথ টহলের সময় পাহারারত মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের এক সেনা। ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ইরানের হামলায় বদলে যাচ্ছে ২৫ বছরের হিসাব, মধ্যপ্রাচ্যে সেনা-ঘাঁটি কমাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা ও সামরিক স্থাপনা কমানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শেষ করতে পারলে আগামী বছর থেকেই সেনা ও সামরিক স্থাপনা কমানোর কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ছয়টি সূত্র জানিয়েছে। এ নিয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা নীরবে আলোচনা করছেন বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এমন পদক্ষেপ কার্যকর হলে নাইন–ইলেভেনের পর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে এটি হবে আরেকটি বড় পরিবর্তন। গত ২৫ বছরে অঞ্চলটি থেকে সরে যাওয়ার নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের কারণে বারবার সেখানে ফিরে এসেছে ওয়াশিংটন।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উত্তরে তাজি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সময় মার্কিন সেনারা। ২৩ আগস্ট ২০২০

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। এ ছাড়া দুটি বিমানবাহী রণতরি ও এক ডজনের বেশি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ (ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ) বিপুল সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন আছে। তবে ইরানের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধে এসব সামরিক স্থাপনার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একাধিক মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওই আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে কতটা মার্কিন উপস্থিতি রাখা হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু স্থাপনা পুনর্নির্মাণ না করা এবং স্পর্শকাতর কিছু অভিযান স্থায়ী ঘাঁটি ছাড়া পরিচালনার বিষয়ও রয়েছে।

ইরাকের মসুলে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ওপর অভিযানের সময় কাছেই মাখমুর এলাকার এক ঘাঁটিতে অস্ত্র হাতে সতর্ক মার্কিন সেনা। ১৮ অক্টোবর ২০১৬

ঘাঁটি মাটির নিচে নেওয়ারও পরিকল্পনা

আলোচনার বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও যেসব মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে থেকে যাবেন, তাঁদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার বিষয়েও কাজ করছে সামরিক বাহিনী। এর অংশ হিসেবে কিছু সামরিক স্থাপনা মাটির নিচে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এসব ঘাঁটির দুর্বলতা প্রকাশ করার পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘দুর্বলতাগুলো সব সময়ই জানা ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট জরুরি পদক্ষেপ নেয়নি।’

দুটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কাঠামো পরিবর্তনের জন্য কয়েকটি সম্ভাব্য পরিকল্পনা তৈরি করেছে সামরিক বাহিনী। তবে ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলমান থাকায় বিমান হামলা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলো এখনই ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ভবিষ্যতে সেনা মোতায়েনের কাঠামো নিয়ে তাঁরা কোনো অনুমান করবেন না। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ–ও এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।

সিরিয়ার কামিশলি শহরের কাছে মার্কিন সামরিক যানের একটি বহর। ফেব্রুয়ারি ২০২০

৯/১১-এর পর বেড়েছিল মার্কিন উপস্থিতি

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়। ইরাক ও আফগান যুদ্ধ এবং পরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য স্থায়ী ঘাঁটি ও গোয়েন্দা স্থাপনার একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে যুক্তরাষ্ট্র।

নাইন–ইলেভেনের দুই বছর পর ইরাকে আগ্রাসনের সময় মধ্যপ্রাচ্যে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন সেনা ছিল। উন্মুক্ত তথ্যের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা কখনো এক লাখের নিচে নামেনি।

২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আফগানিস্তান থেকে সেনা কমানোর ঘোষণা দেন এবং ইরাক থেকেও যুদ্ধরত সেনা প্রত্যাহার করেন। কিন্তু পরে ইরাকে আইএসের উত্থানের পর আবার মার্কিন সেনা পাঠানো হয়। এরপর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার সংখ্যা ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজারের মধ্যে ওঠানামা করেছে। একই সময়ে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলাও মার্কিন নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

যদিও পরিকল্পনাকারীরা এখন সেনা কমানোর সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে ইরানের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র পৌঁছাতে পেরেছে বলে মনে হচ্ছে না। ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা মার্কিন ঘাঁটি ও বাহিনী লক্ষ্য করে ইরান লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় এক মাস পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমবারের মতো গোলাগুলি শুরু হয়। গত সপ্তাহে ইরান হামলা চালিয়েছে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে।

সিরিয়া ও ইরাক সীমান্তে দেখা যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গাড়িবহর

ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনার উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। সৌদি আরবের রিয়াদে সিআইএর একটি ঘাঁটি ইরানের হামলায় কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতেও মার্কিন সামরিক স্থাপনা ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু স্থাপনা পুনর্নির্মাণ না করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এর পেছনে সম্ভাব্য ব্যয়ের বিষয়ও রয়েছে।

গত এপ্রিলে পেন্টাগনের শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা তৃতীয় জুলস জে হার্স্ট বলেছিলেন, যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা মেরামতে কত খরচ হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান কেমন হবে, সেটি মূল্যায়নের ওপরও বিষয়টি নির্ভর করছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

আলোচনার সঙ্গে অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে, পেন্টাগনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন সেনা কমাতে আগ্রহী। একই সঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর প্রতিরক্ষার আরও বেশি দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা তাঁদের আছে।

তবে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো পর্যালোচনা শুরু হয়নি। সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা বরং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্রুত অবস্থান পরিবর্তনের প্রবণতার বিষয় মাথায় রেখে সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার পুরোনো চেষ্টা

সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ও ইতিহাসবিদদের মতে, নাইন–ইলেভেনের সময় সিআইএ একটি নতুন মিশনের সন্ধানে ছিল। সংস্থাটির প্রধান প্রতিপক্ষ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়েছিল। সংস্থাটিতে সন্ত্রাসবাদ ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন বিশ্লেষক ছিলেন, তবে তাঁদের সংখ্যা বেশি ছিল না। ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, অস্টিনের ইতিহাসবিদ জেফরি রগের মতে, ওই অঞ্চলে সিআইএর কর্মীর সংখ্যা সম্ভবত মাত্র কয়েক শ ছিল।

নাইন–ইলেভেনের পর সব বদলে যায়। সংস্থাটি ব্যাপকভাবে সেনা নিয়োগ দিতে শুরু করে এবং আরও বড় একটি আধা সামরিক কর্মকর্তাদের দল গড়ে তোলে। এসব কর্মকর্তা অস্ত্র বহন করতেন এবং ‘সন্ত্রাসী’দের খুঁজে বের করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।

তবে দুই সংস্থাই ওই অঞ্চলে গত দুই দশকের সম্পৃক্ততায় উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দুই দলের প্রেসিডেন্টই কখনো কখনো মরিয়া হয়ে এই অঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছেন। ওবামা এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার একটি পরিকল্পনা করেছিলেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের প্রশাসনও তাঁর প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

জর্ডানের জারকায় ‘ইগার লায়ন’ যৌথ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে জর্ডান ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উড়িয়ে এগিয়ে চলছে সামরিক যান। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা মহলে ওই পরিকল্পনা একসময় রসিকতার বিষয়ে পরিণত হয়। কারণ, একের পর এক সংকট ও নীতিগত সিদ্ধান্ত—যার মধ্যে আইএসের অপ্রত্যাশিত উত্থান এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে শীর্ষ ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার ঘটনাও ছিল। এসব ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রকে বারবার মধ্যপ্রাচ্যে ফিরিয়ে এনেছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা সম্প্রতি ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরও বৃদ্ধির সামরিক পদক্ষেপগুলো তাঁর ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনে সম্ভবত সফল হবে না। ফলে ট্রাম্প অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তবে এ কৌশল ফল দিতে কত সময় লাগতে পারে, তার কোনো স্পষ্ট সময়সীমা নেই। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব কয়েক মাসের অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করতে প্রস্তুত এবং নিকট ভবিষ্যতে তারা আত্মসমর্পণ করবে—এমন সম্ভাবনা কম।

উত্তর আরব সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি পরিচয়হীন নৌযান থেকে জব্দ করা অস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস মন্টেরে’র ডেকে। ৮ মে ২০২১

সিএনএনকে একটি সূত্র জানিয়েছে, পেন্টাগনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, ওই অঞ্চলে বড় ও স্থায়ী কিছু সামরিক ঘাঁটি বজায় রাখা হবে। তবে এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণ করা হবে কি না, তা নির্ভর করতে পারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো পুনর্নির্মাণের ব্যয়ে অংশ নিতে কতটা আগ্রহী তার ওপর। আলোচনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ব্যয় কয়েক বিলিয়ন ডলার হতে পারে। সূত্রটি আরও বলেছে, এসব ঘাঁটির অনেকগুলোই যে দেশে অবস্থিত, মূলত সেই দেশই নির্মাণ ও অর্থায়ন করেছিল।

স্বল্প মেয়াদে প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সেনা ও ঘাঁটিগুলো ইরানের কাছ থেকে অব্যাহত হামলার মুখে পড়বে—এমনটাই প্রায় নিশ্চিত। এ অবস্থায় মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা গত সপ্তাহে বলেছেন, বাহরাইনে পঞ্চম নৌবহরের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা আর ‘শিগগিরই’ ফিরছেন না।