ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন

কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৃহস্পতিবারের আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান এমন তথ্য দিয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনার পরও ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সায়িদ বদর আলবুসাইদি বলেছেন, দুই পক্ষ নিজ নিজ দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করার পর শিগগিরই আলোচনা আবারও শুরু করবে। আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় প্রায়োগিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা আছে।

সুইজারল্যান্ডে বৈঠক শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে আলবুসাইদি এ কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এমএস নাউ–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি আজ শুক্রবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং অন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে হোয়াইট হাউস ও ওয়াশিংটনে ওমানের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।

দীর্ঘদিনের শত্রু ওয়াশিংটন ও তেহরান যদি কোনো চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে পারত, তাহলে ইরানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হামলা চালানোর আশঙ্কা কমে যেত। অনেকের আশঙ্কা, এমন হামলা আরও বড় যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ইরানের আলোচক দল। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তবে জেনেভায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার পর ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি আশাব্যঞ্জক মন্তব্য করেছেন। আলোচনার এক অধিবেশন সকালে এবং অন্যটি বিকেলে হয়েছে।

বদর আলবুসাইদি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। তাই আমরা আজকের দিন শেষ করেছি।’

আলবুসাইদি এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেননি। দুই পক্ষ তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলো সমাধান করতে পেরেছে কি না, তাও তিনি স্পষ্টভাবে বলেননি।

তবে অনেক বিশ্লেষক এটিকে ট্রাম্পের যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।