মশিউর রহমান বলেন, দুরন্ত বিপ্লবের মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে মশিউর রহমান বলেন, কারও মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণে ময়নাতদন্ত একটি উপকরণমাত্র। ফলে ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় না নিয়ে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের মন্তব্য করা উচিত নয়।

দুরন্ত বিপ্লব আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সদস্য ছিলেন। ৭ নভেম্বর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

১২ নভেম্বর বিকেলে বুড়িগঙ্গা নদীর ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিসেবে একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশটি দুরন্ত বিপ্লবের বলে শনাক্ত করেন স্বজনেরা।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ১৩ নভেম্বর তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত হয়। পরে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মফিজুল উদ্দিন প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, দুরন্ত বিপ্লবের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর এ বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বলছে, তারা তথ্য–প্রমাণ সংগ্রহ করে নিশ্চিত হয়েছে, ঢাকার কেরানীগঞ্জের খামার থেকে মোহাম্মদপুরের বাসায় ফেরার পথে বুড়িগঙ্গায় নৌকাডুবিতে দুরন্ত বিপ্লব মারা যান। মর্নিং সান-৫ নামের লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাটি উল্টে যায়। এতে মাঝিসহ নৌকার যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। দুরন্ত বিপ্লব সাঁতার জানতেন না। মাঝিরা অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করেছিলেন। কিন্তু দুরন্ত বিপ্লব পানিতে ডুবে মারা যান।