এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক (রিফাত) ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনিরুল হক পান ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। নির্বাচনে আরফানুল হককে ৩৪৩ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

দেশের মানুষ নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে এটা আশা করেননি মন্তব্য করে মনিরুল হক বলেন, ‘তাঁরা (নির্বাচন কমিশন) বাঁচনের লাই এই ব্যাখ্যা দিছে। এভাবে কারও জয় ছিনিয়ে নেওয়া যায়? এটা কুমিল্লাসহ দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কেউ বিশ্বাস করেননি।’

ভোটাররা তাঁকে উজাড় করে ভোট দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন স্বতন্ত্র এই মেয়র প্রার্থী।

তিনি বলেন, ‘অনেকে ভেবেছিলেন, আমি নির্বাচনী মাঠে থাকব না। নির্বাচন থেকে সরে যাব। সরে গেলে কুমিল্লার মানুষ আমাকে খারাপ ভাবতেন। আমার দলীয় নেতা–কর্মী ও ভক্তরা আমাকে অন্য চোখে দেখতেন। পুরো প্রচারণায় জয়ের বিষয়ে আমি কনফিডেন্ট ছিলাম। একলা একলা দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চেয়েছি। দোয়া চেয়েছি। মানুষ ভোট দিয়েছে। আর ওরা (কমিশন) আমার জয়টা ছিনিয়ে নিল। মানুষ কমিশনের ফল ঘোষণার এমন আচরণে মর্মাহত। দেখতেছেন না, ভোটের পরের কয়টা দিন পুরো শহরটা স্তব্ধ হয়ে রইল।’

এ বিষয়ে আইনি লড়াইয়ে যাবেন জানিয়ে মনিরুল হক বলেন, ‘আইনজীবীদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। দেখি কী হয়?’

দলেও নেই, মেয়রও নেই, কীভাবে সময় কাটাবেন—জানতে চাইলে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক এই মেয়র বলেন,‘আগে সপ্তাহে চার দিন অফিস করতাম। এখন এই চার দিন কুমিল্লার মানুষের সঙ্গে কাটাব। একমাত্র মেয়ে কানাডায় থাকে। আমি কুমিল্লার মানুষের দ্বারে দ্বারে যাব। ঈদের পর বিভিন্ন এলাকায় যাব। মাঠ ছাড়ব না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন