মানববন্ধনে জেলা বাস–মিনিবাস মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইমদাদুর রহমান বলেন, ‘সালাম শেখ আমাদের ইউনিয়নের একজন সদস্য ছিলেন। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আমরা পুরো খুলনা বিভাগে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেব। একজন শ্রমিককে পুলিশ প্রকাশ্যে নির্যাতন করে মেরে ফেলবে, এটা আমরা মেনে নেব না।’

এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাবু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মোল্লাসহ শ্রমিকনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আবদুস সালাম শেখ শ্রীপুর উপজেলার রায়নগর গ্রামের মৃত আছির উদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি মাগুরা উপজেলার ওয়াপদা বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসের কাউন্টারে কাজ করতেন। ১৬ জুলাই বিকেলে ওয়াপদা বাসস্ট্যান্ডে এক যাত্রীর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে নাকোল ফাঁড়ির পুলিশ সালাম শেখকে আটক করে নিয়ে যায়। নাকোল পুলিশ ফাঁড়িতে সালাম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। কিন্তু হাসপাতালে আনার আগেই সালামের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা।

এ ঘটনার পর নাকোল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক জামাল উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিহত আবদুস সালামের পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের মারপিটে আবদুস সালামের মৃত্যু হয়েছে। ১৮ জুলাই নিহত সালামের স্ত্রী যমুনা বেগম ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করেছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলা গ্রহণ করে পিবিআইকে মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন