default-image

একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের বেশ কিছু টিলাসংলগ্ন স্থানে সড়কবাতি না থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে এসব এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। এতে শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় গেলে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। বহিরাগত ব্যক্তিরা এসব অপরাধ ঘটাচ্ছেন। তাই দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা এসব স্থানে সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বুলবুল হত্যার পর শিক্ষার্থীদের দাবি আরও জোরদার হয়। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাপ্রাচীর ও বিকল সিসিটিভি সংস্কারের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নিউজিল্যান্ড এলাকার টিলাসহ আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগ দিয়ে বাতির ব্যবস্থা করতে হলে অনেক সময় লেগে যাবে। পাশাপাশি অনেক টাকাও খরচ হবে। এতে বিষয়টি দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়ায় পড়ে যাবে। তাই দ্রুততম সময়ে ওই এলাকায় আলোর ব্যবস্থা করতে সেখানে সৌরবিদ্যুতের বাতি স্থাপন করা হচ্ছে।

default-image

প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, নিউজিল্যান্ড এলাকার টিলায় যে সৌরবাতি স্থাপন করা হয়েছে, এ বাতির আলো কত দূর বিস্তৃত হয়, সেটি পর্যবেক্ষণ শেষে দ্রুততার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে আরও সৌরবাতি স্থাপন করা হবে।

এদিকে বুলবুল হত্যার ঘটনাস্থলের আশপাশে গাজী-কালুর টিলাসংলগ্ন এলাকার সীমানাপ্রাচীরের নিচে যেসব অংশে মাটি সরে গিয়েছিল কিংবা কাঁটাতারের বেড়া নেই, তা ঠিক করতে কাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ দুপুর থেকে সীমানাপ্রাচীরের মাটি সরে যাওয়া অংশে বাঁশের খুঁটি দিয়ে কয়েকজন শ্রমিককে বেষ্টনী তৈরি করতে দেখা গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বিকল হওয়া ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা সচল করতেও কাজ শুরু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন