বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের সদর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ করে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁন, মহানগর বিএনপি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক পাপিয়া জেসমিন, মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ খান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, মহানগর যুবদলের সভাপতি আখতারুজ্জামান, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হুমাউন কবীর প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে আজ ন্যূনতম নাগরিক অধিকার নেই। সভা-সমাবেশ ও বাক্‌স্বাধীনতা হরণ করে সরকার যে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে, তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ভোলায় পুলিশি হামলা। সরকার স্বার্থরক্ষার জন্য দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নিজেদের কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করার যে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে, দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, ২৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আয়োজন। দেশে গড়ে সাড়ে ১১ বা ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। অথচ দেশে প্রায় অর্ধেক সময় লোডশেডিং থাকে। তার মানে পাঁচ থেকে সাত হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না। কিন্তু জনগণের টাকা গেল কোথায়? এর হিসাব দিতে হবে। তাঁরা বলেন, এই টাকার হিসাব চাওয়ায় সরকার গুলি করে মানুষ মারছে। এই হত্যার জবাব সরকারকে দিতে হবে।

অন্যদিকে নগরের টাউন হল চত্বরে বরিশাল উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি যৌথভাবে এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন, সদস্য আবুল হোসেন খান, নুরুল আমিন, মন্টু খান, আবদুল মন্নান মাস্টার, সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তছলিম উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ প্রমুখ।

বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিমের নেতৃত্বে নগরের অশ্বিনী কুমার হল ও আশপাশে ব্যাপক পুলিশ প্রস্তুত রাখা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন