আজ বুধবার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, গণসমাবেশস্থলে মঞ্চের পাশে দুই ব্যক্তি খোঁড়াখুঁড়ির কাজ করছেন। অন্যদিকে ক্যাম্প তৈরির কাজ করছেন আরও চারজন। ইতিমধ্যে ছয়টি ক্যাম্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ক্যাম্প তৈরির কাজ করা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মূলত নেতা-কর্মীরা রাতে যাতে সেখানে অবস্থান করতে পারেন, সে জন্য ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হচ্ছে। ক্যাম্পগুলো জেলা ও এলাকাভিত্তিক তৈরি করা হচ্ছে। এগুলোর বেশির ভাগে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা থাকবেন। একেকটি ক্যাম্পে ৪৫০ থেকে ৫০০ জন থাকতে পারবেন।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সমাবেশস্থলের ক্যাম্পগুলো নেতা-কর্মীরা নিজ উদ্যোগে তৈরি করেছেন। তবে তাঁরা গণসমাবেশের শৃঙ্খলা কমিটির কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন। তাঁদের বলা হয়েছে তাঁরা যেহেতু সিলেটের বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন, বাইরে থাকার মতো পরিবেশ নেই এ জন্য সেখানে থাকতে পারবেন। তবে সমাবেশের দিন ভোরে যাতে ক্যাম্প কিংবা তাবুগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন নেতা-কর্মীরা। সিলেটেও এ ধরনের বাধা আসতে পারে। এ জন্য অনেক নেতা-কর্মী এবং সমর্থক আগেভাগেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছেন। তাঁদের থাকার জন্যই এসব ক্যাম্প।