গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ইশরাক হোসেনের সফরসঙ্গী বরগুনার বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম, পাথরঘাটার বিএনপি নেতা পলাশ হোসেন এবং ভোলার বিএনপি নেতা সফি উদ্দিন রয়েছেন।

ইশরাক হোসেনের গাড়িবহর শনিবার সকাল সাতটার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে স্থানীয় যুবলীগ নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা করেন। ইশরাকের সফরসঙ্গী বিএনপির নেতা-কর্মীরাও পাল্টা হামলা করেন।

পুলিশ ও আহত ব্যক্তিদের সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ও ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে যোগদানের উদ্দেশে ৫০-৬০টি গাড়ির বহর নিয়ে বরিশাল নগরে যাচ্ছিলেন। শনিবার সকাল সাতটার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে স্থানীয় যুবলীগ নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা করেন। মাহিলাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. রাসেল রাঢ়ি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিলাশ কবিরাজ ও মাহিলাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে ওই বহরে থাকা ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী আহত হন।

হামলার পাল্টা জবাবে ইশরাকের সফরসঙ্গী বিএনপির নেতা-কর্মীরা যুবলীগ নেতাদের ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। পরে তাঁরা স্থানীয় আওয়ামী লীগে কার্যালয় মাহিলাড়া মডার্ন ক্লাব ভাঙচুর করেন। বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাল্টা হামলায় যুবলীগ নেতা মো. রাসেল রাঢ়ি, বিলাশ কবিরাজ, ব্যবসায়ী নেতা মো. সহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা পলাশ কবিরাজ, আলীম হোসেন খান, ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি রাসেল সেরনিয়াবাতসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

একই স্থানে শনিবার সকাল আটটার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম এবং সহসম্পাদক আশরাফ উদ্দিনের গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের বরিশাল যেতে বাধা দিয়ে ঢাকার পথে ফেরত পাঠানো হয়। এ ছাড়া ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেত্রী সেলিনা সুলতানাকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করেন যুবলীগ নেতা-কর্মীরা।