আগামীকাল ফরিদপুর শহর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে কোমরপুর আবদুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শেখ রাসেল স্কয়ার ফরিদপুর শহরের হাসিবুল হাসান লাবলু সড়কে অবস্থিত। আজ বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে শেখ রাসেল স্কয়ার থেকে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আলীপুরের মোড় হয়ে মুজিব সড়ক, জনতা ব্যাংকের মোড়, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল, ব্রহ্মসমাজ সড়ক ধরে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে যায়। পরে সেখানে বক্তব্য দেন শামীম হক।

বিএনপির গণসমাবেশের আগের দিন জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে শামীম হক বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রশাসনের পাশাপাশি আমরাও আপনাদের সমাবেশকে সফল করতে সহযোগিতা করছি।’ বিএনপির গণসমাবেশে আগত ব্যক্তিদের ‘অতিথি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘আপনারা অতিথি, আপনারা আসেন, মিছিল করেন, মিটিং করেন। কিন্তু কোনো নৈরাজ্য করার চেষ্টা করবেন না।’ জেলা বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যা–ই হোক, আপনারা আমার ভাই, আমার বন্ধু, আমরা এই শহরেই থাকি, আপনাদের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু লোক এনে কোনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেবেন না। আমরা একসঙ্গে আছি এবং একসঙ্গে থাকতে চাই।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আগামীকাল সকালে রাসেল স্কয়ারে আমরা সমবেত থাকব। আপনারা সবাই আসবেন। যদি তারা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে, আমরা রাসেল স্কয়ার থেকে তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করব।’

মিছিল শেষে এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক। এ সময় ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস তাঁর বক্তব্যে বলেন, আগামীকাল শনিবার সকাল থেকে বিএনপি যদি সন্ত্রাস-নৈরাজ্য করার চেষ্টা করে, তার জবাব দেওয়ার জন্য দলীয় (আওয়ামী লীগের) নেতা-কর্মীরা সজাগ থাকবেন।