বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শিক্ষকদের চলমান কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ৮ নভেম্বর জরুরি সাধারণ সভা থেকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে শিক্ষকদের বিরত থাকার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর থেকে শিক্ষকেরা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন। ২০ নভেম্বর বেলা ১১টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষকেরা সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মানববন্ধন করবেন এবং শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রশাসনিক দায়িত্ব সম্পাদন ছাড়া শিক্ষকেরা প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আগের মতো বিরত থাকবেন। শিক্ষকদের দাবির দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত ২১ নভেম্বর বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করছি। অনেক ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আদৌ কোনো স্বার্থ ছিল কি না, কোনো বিষয়ে কথা হয়েছে কি না, হাইটেক পার্ক নিয়ে কী হলো—সব বিষয়ে বিস্তারিত আমরা রোববার মানববন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করব। আমরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে ফিরছি না। তবে একাডেমিক কার্যক্রম সোমবার থেকে চালু হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেখ মোহাম্মাদ ফায়েকুজ্জামান বলেন, তাঁরা সব সময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণের কথা ভাবেন। ইউজিসির নির্দেশনার সংশোধন চেয়ে তাঁরা যে দাবি করেছেন, তা যৌক্তিক। কিন্তু সবার আগে শিক্ষার্থী। তাঁদের কথা ভেবে শিক্ষকেরা ক্লাস-পরীক্ষা চালু রাখার কথা ভাবছেন। তাঁরা গত ৯ দিন ক্লাসে যাননি। এটা তাঁদের জন্য কষ্টদায়ক। তাঁরা ক্লাস-পরীক্ষার পাশাপাশি যৌক্তিক দাবির জন্য কর্মসূচি করতে চান। সোমবার থেকে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে ফিরছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনার সংশোধন ও ক্যাম্পাসের ভেতরে হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের বিরোধিতা করে ৯ নভেম্বর থেকে এ কর্মবিরতি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।