default-image

জানাজায় বুলবুলের পরিবারের কয়েক সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল ইসলামসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। জানাজা শেষে লাশ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দীপাড়া গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে বাবার কবরের পাশে বুলবুলের দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এদিকে বেলা পৌনে তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বুলবুল হত্যায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদান এবং ক্যাম্পাসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। এ সময় ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান বক্তব্য দেন।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে গাজী-কালু টিলা লাগোয়া ‘নিউজিল্যান্ড’ এলাকায় বুলবুল ছুরিকাহত হন। পরে তাঁকে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত পৌনে আটটার দিকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রাতেই সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন। হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন তিন বহিরাগতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

বুলবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি নরসিংদী সদরের নন্দীপাড়া গ্রামে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের ২১৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন। বুলবুলের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা গতকাল রাত থেকে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিতে নানা ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিও জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন