মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ভোট গ্রহণের দিন ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার সহযোগিতা চাইতে হিরো আলম র‌্যাব কার্যালয়ে আসেন।

হিরো আলমও দাবি করেন, নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার সহযোগিতা চাইতেই র‌্যাব-১২–এর বগুড়া ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানির অধিনায়কের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কুশল বিনিময়ের পর তাঁকে চা-মিষ্টি খাইয়ে আপ্যায়নও করা হয়। র‌্যাব কার্যালয় থেকে বের হয়ে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় বাধার অভিযোগ
হিরো আলম সোমবার দুপুর থেকে বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনী এলাকা মহাস্থানগড়, বেহুলার বাসরঘর, মাটিডালি উচ্চবিদ্যালয়, মাটিডালি বাজার ছাড়াও শহরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এ সময় হিরো আলম ভোটারদের সঙ্গে করমর্দন করে তাঁকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন।

এদিকে হিরো আলম সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে যান। হিরো আলম অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সাবগ্রাম বন্দরে নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে নিজেকে নৌকার সমর্থক পরিচয়ে একজন বাধা ও হুমকি দেন। এ সময় ওই ব্যক্তি হিরো আলমকে দ্রুত সাবগ্রাম বন্দর ত্যাগ না করলে ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেন। তাঁর সঙ্গে ওই ব্যক্তির বাগ্‌বিতণ্ডাও হয়। প্রতিবাদের মুখে ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

হিরো আলম বলেন, দুই আসনেই সমানতালে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। সবখানে ভোটারদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি অভিভূত। অবাধ ভোট হলে ‘একতারা’ প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত।

দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের পর বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন দুটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৮ ডিসেম্বর উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি আসন দুটিতে ভোট গ্রহণের কথা আছে।

বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন হিরো আলম। কিন্তু ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের তালিকায় গরমিল থাকার অভিযোগে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তা, পরে নির্বাচন কমিশন থেকে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এরপর উচ্চ আদালতে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি।