বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে তানভীর আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষা দিতে গিয়ে বায়েজিত খান নামের এক শিক্ষার্থী আটক হন। প্রশাসনের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্বীকার করেন ছাত্রলীগ নেতা মুশফিক তাহমিদ ওরফে তন্ময় তাঁকে এ কাজে নিয়োগ দিয়েছেন। মুশফিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ঘটনায় ৪ আগস্ট তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এর তিন মাসের মাথায় তাঁর বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া হলো।

বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া অন্য দুজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আবদুল হক, উপমুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. আবু হাশেম। ২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দেন এই দুই নেতা। ওই ঘটনার পর আবদুল হক ও আবু হাশেমকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

নিজ নিজ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিন নেতার বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ছাত্রলীগ।