তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান বলেন, উপজেলা নেতা–কর্মীদের অনেকেই গত দুই দিনে সিলেটে পৌঁছে গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেও তিনি নিজে কয়েকটি বাসে নেতা–কর্মীদের বিদায় দিয়েছেন। আজ তিনি মোটরসাইকেল বহরে যোগ দিয়েছেন।

মোটরসাইকেল বহরে থাকা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন, জেলার নেতা–কর্মীদের বেশির ভাগই এখন সিলেটে অবস্থান করছেন। এখন মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মূলত জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তরুণেরা যাচ্ছেন। বিএনপির নেতা–কর্মীদের যাওয়ার পথে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়াই বাস ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এসব করে একজন নেতা–কর্মীকেও আটকানো যাবে না।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জামাল উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, তাঁদের মোটরসাইকেল বহর তখন সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় ছিল। সন্ধ্যার আগেই তাঁদের সিলেটে পৌঁছানোর কথা। বহরে তখন দুই হাজারের বেশি মোটরসাইকেল ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, সিলেটের সমাবেশ ঘিরে সুনামগঞ্জের নেতা-কর্মীরা ভীষণভাবে উজ্জীবিত। সমাবেশ সফল করতে সুনামগঞ্জে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। অবৈধভাবেই ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ জেগেছে। তবে তাদের কোনো বাধা কাজে আসছে না। বিএনপির সমাবেশগুলোর জনসমাগমই তার প্রমাণ।