এতে বক্তব্য দেন বকশীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত নবনির্বাচিত সদস্য শিলা সারোয়ার, মারধরের শিকার সাইফুল ইসলাম, মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, বাট্টাজোড় ইউপির চেয়ারম্যান জুয়েল তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আগা সাইয়ুম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সাইফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি তৃণমূলের একজন পরীক্ষিত নেতা। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষক। অথচ তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ে সবার উপস্থিতিতে নুর মোহাম্মদ ও তাঁর ছোট ভাই নজরুল ইসলাম যেভাবে নির্যাতন করেছেন, সেটা কোনোভাবেই একজন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। তাই সাইফুল ইসলামের জন্য শত শত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে নুর মোহাম্মদ, তাঁর ভাইসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁদের দল থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এ আন্দোলন চলতেই থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার উপজেলার নীলক্ষিয়া ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন ছিল। ওই দিন সন্ধ্যায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় জেলার নেতাদের সামনে দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে সাইফুলকে মারধর করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। মারধর করার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় নুর মোহাম্মদ মোহাম্মদ ছাড়াও তাঁর ছোট ভাই নীলক্ষিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।