নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান বলেন, ছাত্রলীগের ২৫ থেকে ২৬ জন নেতা-কর্মী ১২টি মোটরসাইকেলে গতকাল সন্ধ্যায় আস্তান মোল্লা ডিগ্রি কলেজের সামনে দিয়ে শহরের সরিষাহাটি মোড়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁদের ওপর দুষ্কৃতকারীরা ককটেল নিক্ষেপ করে। বিস্ফোরণে জেলা ছাত্রলীগের নেতা মোশাররফ হোসেন ও নওগাঁ সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম বিশাল সরদার আহত হন। তাঁদের নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আরও বলেন, দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এই হামলা বিএনপি-জামায়াতের চক্রান্ত।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নিজেরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে অংশ নিতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। এর আগেও একই উদ্দেশ্যে রাণীনগর, আত্রাই, পত্নীতলা, সাপাহার ও মহাদেবপুর উপজেলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা করেছে আওয়ামী লীগ।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়সাল বিন আহসান মাহিন বলেন, আস্তান মোল্লা কলেজের সামনে নওগাঁ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে লক্ষ্য করে চারটি ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগে মামলাটি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।