গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বান্দরবান সেনা রিজিয়ন সদর দপ্তরের ৮ নভেম্বর চিঠির আলোকে তিনটি উপজেলায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ১২ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো। জনস্বার্থে ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে।

৪ নভেম্বর চার উপজেলায় জারি করা চতুর্থ দফার নিষেধাজ্ঞা আজ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। আগের চারটি উপজেলার মধ্যে আলীকদমে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৯ অক্টোবর থেকে রাঙামাটির বিলাইছড়ির উপজেলার বড়থলি ইউনিয়ন ও ওই ইউনিয়ন–সংলগ্ন বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছিল। অভিযানের একপর্যায়ে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১৭ অক্টোবর রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেন। পরে থানচি ও আলীকদমকে অভিযানের আওতায় আনা হলে ২৩ অক্টোবর থেকে চারটি উপজেলাতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা পঞ্চম দফা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, দুর্গম পাহাড়ে কুকিচীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামে একটি সন্ত্রাসী সংগঠনে সমতল থেকে আসা জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। জঙ্গিরা সেখানে তাদের সঙ্গে অবস্থান করছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযান চলাকালে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।