আবদুল মঈন খান বলেন, বিএনপির গণসমাবেশগুলোতে জনতার ঢল দেখে সরকার আতঙ্কিত হচ্ছে। তারা মসনদ হারানোর চিন্তায় রয়েছে। এ জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা মামলা দেওয়া শুরু করেছে। মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে নতুন করে ভয় দেখানো শুরু করেছে।

বিএনপির পাশে জনগণ আছে বলেই গণসমাবেশে পরিণত হচ্ছে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘বিএনপি অস্ত্রের ভাষায় কথা বলে না, শান্তি চায়। দেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকার বলছে শান্তি ভঙ্গ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু বিএনপি গত ছয়টি সমাবেশে একটি সেকেন্ডের জন্যও শান্তি ভঙ্গ করেনি। আমরা জনগণের কাছে গণতন্ত্র ও ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চাই।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে পরিবহন ধর্মঘট ডেকে বিএনপির গণস্রোত ও জনসমাবেশ ঠেকাতে চায়, বানচাল করতে চায়। কিন্তু এসব করে কোনোভাবে ঠেকানো যাবে না। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিএনপির জনসমাবেশে সমবেত হচ্ছেন।

গণসমাবেশগুলোতে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করা হয়নি উল্লেখ করে জাহিদ হোসেন বলেন, বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলকভাবে পায়ে পা দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।