সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি ডিসিদের বলেছি, এখন আর কোনো নতুন রাস্তা করতে চাই না আগামী নির্বাচনের আগে। যে রাস্তাগুলো বিদ্যমান সেই রাস্তাগুলো মেরামত করতে চাই, চলাচল উপযোগী করতে চাই, ব্যবহার উপযোগী করতে চাই। যেগুলো আছে সেগুলো মেরামত ও সংরক্ষণ করাই হচ্ছে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ। সর্বোপরি আমার কথা হলো, পরিবহনে ও সড়কে শৃঙ্খলাটাই আমার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অনেক রাস্তা হয়েছে, সেতু হয়েছে, শৃঙ্খলা না এনে এসব সাফল্য ম্লান হয়ে যাবে।’

মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, নছিমন, করিমন, ভটভটি নামের যানবাহন ‘একটু’ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা শহরে মোটরসাইকেল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। প্রায় প্রত্যেকে মাথায় হেলমেট পড়েন। কিন্তু মফস্‌সলে তিনজনও চড়ে কিন্তু কারও মাথায় হেলমেট নেই। তাই এ বিষয়গুলো একটু দেখতে বলা হয়েছে। একটা ইজিবাইক দুর্ঘটনার কবলে পড়লে ১০ থেকে ১২ জন মারা যায়। হয়তো বড় দুর্ঘটনাতেও এত মারা যায় না। এখন দুর্ঘটনার হার কমে গেছে কিন্তু দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বেড়েছে।

ইজিবাইক জাতীয় যানবাহনের জন্য নীতিমালা হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি সচিবকেও বলেছি, এখনো বলছি, গরিব মানুষের জীবন যেমন আছে জীবিকাও আছে। এখন তাঁদের জীবিকার চাকাতো বন্ধ করে দিতে পারি না। কাজেই এগুলোকে একটি নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসার কথা বলেছি। নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে সাংবাদিকেরা জানতে চেয়েছিলেন, নির্বাচনে প্রশাসনের বড় ভূমিকা আছে, এ বিষয়ে আপনার কোনো নির্দেশনা ছিল কি না কিংবা ডিসিদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব ছিল কি না। কারণ, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ডিসি সম্মেলন। জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি শৃঙ্খলার কথা বলেছি, এটা সবকিছু বোঝায় (মিন করে)।’