এ ঘটনায় দগ্ধসহ আহত ব্যক্তিদের প্রথমে স্থানীয় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় সেখান থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পাঠানো হয় রনি ও জিল্লুর রহমানকে।

আজ দুপুরে হাসপাতালে রনি ও জিল্লুরকে দেখতে যান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। এ সময় সামন্ত লাল সেন আইজিপিকে সার্বিক চিকিৎসার বিষয়ে জানান। পরে আইজিপিকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, দুজনের অবস্থাই স্থিতিশীল। তাঁদের অবস্থা অতটা খারাপ না হলেও দগ্ধ রোগী যত দিন পর্যন্ত না হাসপাতাল থেকে বাড়ি না ফিরবে, তত দিন শঙ্কামুক্ত বলা যায় না। গত কয়েক দিনের চেয়ে আজ তাঁদের অবস্থা অনেকটাই ভালো। গতকাল রোববার মেডিকেল বোর্ড বসে তাঁদের চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ আবারও বসে তাঁদের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে।

বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। আবু হেনা রনি বলেছে, আগের চেয়ে ভালো বোধ করছে সে। তাদের দুজনের মানসিক শক্তির প্রশংসা করতে হয়। আশা করছি, তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। তাদের সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।’

আইজিপি আরও বলেন, দুর্ঘটনা কখনো ঘোষণা দিয়ে আসে না। রনির বলেছে, বেলুন উড়ে গিয়ে তার সামনে পড়েছে। দুর্ঘটনার পাঁচ মিনিট আগে বেলুনগুলো আমাদের সামনে ছিল। সেখানেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অবশ্যই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গাজীপুর মহানগর পুলিশকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন