দেশের বাজারে কমল সোনার দাম, ভরিতে ২,২১৬ টাকা
দেশের বাজারে আবার কমানো হলো সোনার দাম। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে সোনার দাম। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ মঙ্গলবার সকালে এই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। সে কারণে সোনার দাম কমানো হয়েছে। যদিও মূল কারণ হলো, বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে যাওয়া।
আজ বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভরিপ্রতি ২১ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৩ টাকা; ১৮ ক্যারেট সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৫৯ টাকা। এ ছাড়া সানাতনী পদ্ধতির সোনার দাম পড়ছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এর সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে।
এর আগে সর্বশেষ ৯ ফেব্রুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। মাঝে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটির মধ্যে সোনার দাম আর সমন্বয় করেনি বাজুস।
জানুয়ারি মাসের শেষ দিক থেকেই দেশের বাজারে সোনার দামে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনও হয়েছে, সকালে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে রাতে আবার কমানো হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়েছিল। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম।
মূলত বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো-কমানো হয়। গতকাল সোমবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবার ৫ হাজার ডলারের নিচে নেমে এসেছে। গতকাল বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি প্রায় ৯০ ডলার কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে রুপার দাম।
এর আগে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় পতনের পর বিক্রির চাপ বাড়ায় সোনার দর ৩ শতাংশ কমে যায়। সেদিনও সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে। তবে গত শনিবার সোনার দাম আবার ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়।