বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লেনদেন কমার পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন ঘটছে। এতে কিছু কিছু কোম্পানির শেয়ারের ক্রেতাসংকট দেখা দিয়েছে। দিনের সর্বনিম্ন দামেও কিছু কোম্পানির শেয়ারের ক্রেতা মিলছে না। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করতে চেয়েও বিক্রি করতে পারছেন না।

ডিএসইতে আজ হাতবদল হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেরই দরপতন হয়েছে। এদিন ঢাকার বাজারে ৩৭৫টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। তার মধ্যে ২৯৩টি বা ৭৮ শতাংশেরই দরপতন হয়েছে। দাম বেড়েছে কেবল ৪৪টি বা ১২ শতাংশের আর অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টি বা ১০ শতাংশের দাম। শেয়ারের দরপতনের পাশাপাশি কমেছে সূচকও। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এদিন ৩২ পয়েন্ট কমে নেমে এসেছে ৬ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে।

শেয়ারবাজারের লেনদেনকারী একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে এ মুহূর্তে বিনিয়োগ খরা চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিপর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের বড় অংশই এখন বাজারে সক্রিয় নয়। আবার শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় অনেকের টাকা আটকে গেছে। ফলে তাঁরাও বাজারের নিয়মিত লেনদেনে সক্রিয় হতে পারছেন না। এ কারণে বাজারে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।

এদিকে মন্দাবাজারে আজও মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং। এদিনও কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বোচ্চ তথা ১০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হলেও কোম্পানিটির মাত্র ১ হাজার ২২টি শেয়ারের হাতবদল হয়েছে ঢাকার বাজারে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে যাঁরাই কোম্পানিটির শেয়ার পেয়েছেন, তাঁদের বড় একটি অংশই শেয়ার বিক্রি না করে ধরে রেখেছেন। ফলে বাজারে এটির শেয়ারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ঢাকার বাজারে গত ৩১ মার্চ লেনদেন শুরু হয় জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিটের। আইপিওতে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করেছিল ২০ টাকায়। মাত্র চার কার্যদিবসের ব্যবধানে সেই শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকায়। এ চার কার্যদিবসের প্রতিদিনই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দিনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ করে বেড়েছে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন