মেডিকেল-ডেন্টালে ভর্তিচ্ছুদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে।প্রথম আলো ফাইল ছবি

সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর ২০২৫) থেকে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন। প্রবেশপত্র ডাউনলোডের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে।

আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা হাজিরা সিট ডাউনলোড করতে পারবেন ৯ থেকে ১০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার-বুধবার)। ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

আরও পড়ুন

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

১. ৭ ডিসেম্বর থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

২. পরীক্ষার্থীকে বল পয়েন্ট কলম ও রঙিন প্রবেশপত্র এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে পরীক্ষার হলে আসতে হবে।

৩. পরীক্ষার হলে মুঠোফোন, কোনো ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস, ক্যালকুলেটর, হাতঘড়ি বা পকেট ঘড়ি নিয়ে প্রবেশ করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

৪. সরকারি মেডিকেল কলেজ/ডেন্টাল কলেজ/ইউনিটগুলোতে ভর্তির জন্য সাধারণ আসন এবং সংরক্ষিত আসনগুলোতে প্রার্থীর জাতীয় মেধা ও পছন্দক্রম অনুসারে আসন বণ্টন করা হবে। সংরক্ষিত আসনগুলো ও নিজ নিজ শ্রেণির দাবিদারদের মধ্য হতে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

৫. নির্বাচিত প্রার্থীর অর্জিত মেধাক্রম এবং কলেজ পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোনো কলেজে ভর্তি হবেন, তা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে।

৬. স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে হতে পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

পরীক্ষার পদ্ধতি—

এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ ১০০ প্রশ্নে) প্রশ্নে পরীক্ষা এইচএসসি বা সমমান সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের মধ্যে

জীববিজ্ঞান: ৩০

রসায়ন: ২৫

পদার্থবিজ্ঞান: ১৫

ইংরেজি: ১৫

সাধারণ জ্ঞান, প্রবণতা ও মানবিক গুণাবলি: ১৫।

প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। পরীক্ষার সময়কাল ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। পাস নম্বর ৪০।

আরও পড়ুন

মেধাতালিকা নির্ধারণ কীভাবে—

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ মিলিয়ে মোট ১০০ নম্বর নির্ধারণ করা হবে।

(ক) এসএসসির জিপিএর-৮ গুণ = ৪০।

(খ) এইচএসসির জিপিএর ১২ গুণ = ৬০।

লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এই দুইয়ের যোগফলেই মেধাতালিকা চূড়ান্ত হবে।

২০২৪ সালের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৩ নম্বর এবং গত শিক্ষাবর্ষে কোনো সরকারি মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজে ভর্তি থাকা প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৫ নম্বর কেটে মেধাতালিকা করা হবে।