ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের/ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের মধ্য থেকে তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন করে তাঁর/তাঁদের অধীনে এবং মাধ্যমে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/ইউজিসি স্বীকৃত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়/বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি ১০০০ (এক হাজার) টাকা।
এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (https://du.ac.bd) বছরের প্রথম দিন (১/১/২০২৬) থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আবেদন ডাউনলোড করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।
আবেদনপত্র স্পষ্ট করে লিখে/টাইপ করে যথাযথভাবে পূরণ করে ভর্তি ফরমের ফি বাবদ জনতা ব্যাংকে (ঢাবি, টিএসসি শাখায়) ১০০০ /-(এক হাজার) টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা রসিদের মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের অফিসে ০১/০২/২০২৬ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত ০১/০২/২০২৬ তারিখের পরে ভর্তি ফরমের ফি জমা দিলে ওই আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদনপত্রের সাথে ভর্তি ফরমের ফি বাবদ জমা ১০০০ /-(এক হাজার) টাকা জমার রসিদের মূল কপি, সব পরীক্ষা পাসের সনদ ও নম্বরপত্রের ফটোকপি, সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ১ (এক) কপি ছবি সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক/বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক কর্তৃক সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে এবং একই সাথে গবেষণার একটি রূপরেখা (Synopsis) জমা দিতে হবে।
ভর্তির যোগ্যতা, শর্তাবলি ও অন্য তথ্য
১.
(ক) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/ইউজিসি স্বীকৃত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়/বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) মাস্টার্স ডিগ্রিপ্রাপ্ত হলে প্রয়োজনীয় শর্তপূরণ সাপেক্ষে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।
(খ) এমবিবিএস/সমমান ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা তাঁদের ডিগ্রির সাথে সম্বন্ধযুক্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগে/ইনস্টিটিউটে আবেদন করতে পারবেন।
(গ) প্রার্থীদের শিক্ষাজীবনে সকল পরীক্ষায় ২য় বিভাগ/শ্রেণি এবং সিজিপিএ/জিপিএ পদ্ধতিতে ৫ স্কেলে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫ এবং ৪ স্কেলে ন্যূনতম ৩ থাকতে হবে।
(ঘ) প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত ও হিজড়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সব পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে এবং সিজিপিএ/জিপিএ পদ্ধতিতে ৫-এর মধ্যে ৩ এবং ৪-এর মধ্যে ২ দশমিক ৫ থাকতে হবে।
২.
বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিদেশ থেকে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ও মাস্টার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভর্তির ক্ষেত্রে আবেদনপত্র গ্রহণের পূর্বে তাদের অর্জিত ডিগ্রির সমতা নিরূপণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সমতা নিরূপণ কমিটির আহ্বায়কের (ডিন, ফার্মেসি অনুষদ, মোকাররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবনসংলগ্ন) নিকট আবেদন করতে হবে।
৩.
উল্লেখিত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী যে বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন, সেই বিষয়ে অথবা সেই বিষয়ের সাথে সম্বন্ধযুক্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।
৪.
এমফিল প্রোগ্রামের মেয়াদ দুই বছর। ১ম বর্ষ কোর্স-ওয়ার্ক ও ২য় বর্ষ থিসিস। এমফিল প্রোগ্রামের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ (পুনঃ ভর্তিসহ) সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছর। তবে ৩ (তিন) বছরের মধ্যে ডিগ্রি অর্জিত না হলে নির্ধারিত জরিমানা প্রদান সাপেক্ষে এবং পূর্বের রেজিস্ট্রেশন নম্বর বহাল রেখে ৬ (ছয়) মাস করে সর্বোচ্চ ১ বছর এমফিল প্রোগ্রামের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে। এমফিল প্রোগ্রামে যোগদানের তারিখ সবার জন্যই জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে গণ্য করা হবে।
এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষা গ্রহণ জুলাই থেকে জুন শিক্ষাবর্ষের জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
৫.
চাকরিরত প্রার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিসহ ১ (এক) বছরের ছুটি নিয়ে এমফিল প্রোগ্রামে যোগদান করতে হবে এবং যোগদানপত্রের সাথে ছুটির অনুমোদনপত্র জমা দিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছুটি নেওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে গবেষণায় যোগদান করতে হবে। ভর্তি ফির টাকা জমা দেওয়ার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে ছুটির অনুমোদনপত্র জমা না দিলে রেজিস্ট্রেশনের বিষয় বিবেচনা করা হবে না। আবেদনকারী যদি কোনো উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অথবা গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন, সে ক্ষেত্রে বিভাগের/ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কমিটির এবং সংশ্লিষ্ট অনুষদ সভার সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক পরিষদ তা শিথিল করতে পারে।
৬.
(ক) সব অনুষদের/ইনস্টিটিউটের এমফিল কোর্স পূর্ণকালীন কোর্স হিসেবে গণ্য হবে।
(খ) এমফিল প্রোগ্রামের গবেষকদের জন্য Research Methodology কোর্স বাধ্যতামূলক থাকবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ইনস্টিটিউট কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এমফিল গ্রোগ্রামে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত গবেষকদের জন্য মোট ২০০ নম্বরের দুই ইউনিট (প্রতি ইউনিট ১০০ নম্বর) অথবা চার ইউনিট (প্রতি ইউনিট ৫০ নম্বর) তত্ত্বীয় কোর্স ১ম বর্ষে সম্পন্ন করা আবশ্যিক। প্রতি কোর্সে ১০০ নম্বরের ইউনিটের জন্য ৪ ঘণ্টার এবং ৫০ নম্বরের ইউনিটের জন্য ২ ঘণ্টার পরীক্ষা দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষাও থাকবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষায় পাস নম্বর গড়ে ৫০% এবং মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ৫০ %। কোনো একটি কোর্সের পরীক্ষায় ৪০%–এর কম নম্বর গণনা করা হবে না। উপরিউক্ত পরীক্ষায় কোনো গবেষক অনুত্তীর্ণ হলে তৎপরবর্তী শিক্ষাবর্ষে শুধু একবার পুনঃ ভর্তি হয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। তবে যেসব বিষয়ে তিনি ন্যূনতম ৫০% এবং অধিক নম্বর পেয়েছেন, সেই নম্বর বহাল রাখার অধিকার তাঁর থাকবে।
প্রতি ১০০ নম্বরের ইউনিটের জন্য ন্যূনতম ৪৮টি এবং ৫০ নম্বরের ইউনিটের জন্য ন্যূনতম ২৪টি ক্লাস গ্রহণ আবশ্যিক। এমফিল প্রোগ্রামে তত্ত্বীয় পরীক্ষায় পাস করে একজন গবেষক মৌখিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে পরবর্তী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইচ্ছে করলে ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। এমফিল কোর্স পরীক্ষায় অকৃতকার্য কোনো গবেষক কোনো একটি তত্ত্বীয় কোর্সে/মৌখিক পরীক্ষায় ৫০%–এর কম নম্বর পেয়ে থাকলে সেই কোর্সে/মৌখিক পরীক্ষায় পরবর্তী সুযোগে পুনঃ ভর্তি ছাড়াই যথারীতি ফি প্রদান করে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দিতে পারবেন।
উল্লিখিত বিধি ও নীতিমালার বাইরে অনুষদসমূহ অতিরিক্ত শর্ত প্রদান করতে পারবে। তবে অতিরিক্ত শর্ত ও বিধিসমূহ যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে একাডেমিক পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।
(গ) এমফিল প্রথম পর্বের পরীক্ষা গ্রহণ জুলাই থেকে জুন শিক্ষাবর্ষের জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(ঘ) দ্বিতীয় বর্ষে প্রত্যেক গবেষক সংশ্লিষ্ট অনুষদের শিক্ষকমণ্ডলী ও গবেষকদের উপস্থিতিতে তাঁর গবেষণাকর্ম সম্পর্কে অন্তত ০২ (দুই)টি সেমিনার অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের মাধ্যমে উল্লিখিত সেমিনারের রিপোর্ট পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসে প্রেরণ করবেন।
৭.
একজন এমফিল গবেষক তাঁর গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের তত্ত্বাবধানে গবেষণার কাজ চালিয়ে যাবেন এবং প্রতি ৬ (ছয়) মাস অন্তর অগ্রগতির বিস্তারিত প্রতিবেদন নির্ধারিত ফর্মে তাঁর তত্ত্বাবধায়কের সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের অফিসে জমা দেবেন। অগ্রগতির ফরম বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের অফিসে সংরক্ষণ করা হবে এবং অগ্রগতির বিষয় বিভাগীয় চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক যাচাই করে থিসিস জমা দেওয়ার অনুমতি (ফরমে স্বাক্ষরসহ) প্রদান করবেন।
৮.
এমফিল প্রোগ্রামে প্রতি শিক্ষাবর্ষের আবেদনকারীদের জন্য এমফিল ১ম পর্ব পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে এবং বৃত্তির বিদ্যমান নীতিমালা ও এর সাথে অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে বৃত্তি মঞ্জুরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গবেষকদের মধ্য থেকে ১ (এক) বছরের জন্য ৫০ (পঞ্চাশ) জনকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চাকরিরত থাকলে অথবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি/আর্থিক সহযোগিতা পেলে এই বৃত্তি ভোগ করার যোগ্য বিবেচিত হবেন না। যেসব গবেষক প্রথম বর্ষে প্রথমবার পাস করতে না পারেন, তাঁদের এই বৃত্তি প্রদান করা হবে না। বৃত্তি গ্রহণ করে কোনো গবেষক গবেষণা সমাপ্ত না করলে গৃহীত টাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দিতে হবে। গবেষক রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদের মধ্যে থিসিস জমা দিলে ২য় বর্ষে এই বৃত্তি নবায়নের ব্যবস্থা থাকবে।
৯.
(ক) একজন শিক্ষক এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম দুটো মিলিয়ে একসঙ্গে মোট অনধিক এককভাবে ৮ (আট) জন অথবা যৌথভাবে ১০ (দশ) জন গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ন করতে পারবেন।
(খ) অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপকেরা এমফিল প্রোগ্রামের গবেষকদের তত্ত্বাবধায়ক হতে পারবেন।
(গ) একজন এমফিল গবেষক সর্বোচ্চ ২ জন তত্ত্বাবধায়কের (তত্ত্বাবধায়ক ও যুগ্ম তত্ত্বাবধায়ক) অধীনে গবেষণা করতে পারবেন। তত্ত্বাবধায়ক সংশ্লিষ্ট বিভাগের/ইনস্টিটিউটের হতে হবে; যুগ্ম তত্ত্বাবধায়ক অন্য বিভাগের/ইনস্টিটিউটের অথবা স্বীকৃত কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরও হতে পারবেন।
(ঘ) গবেষক এমফিল প্রোগ্রামের কাজ শুরু করার পর এমফিল তত্ত্বাবধায়ক কমপক্ষে এক (১) বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ পদে ও কর্মস্থলে কর্মরত থাকবেন, সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া এবং উচ্চশিক্ষা বা গবেষণার কাজে দেশের বাইরে ৬ (ছয়) মাসের অধিক অবস্থান করলে অন্ততপক্ষে তিন (৩) মাস আগে বিভাগীয় চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালককে অবহিত করতে হবে।
১০.
আবেদনকারী যে হলের ছাত্রছাত্রী হিসেবে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, সে হলের প্রাধ্যক্ষের স্বাক্ষর নেওয়ার পর আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউটে জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে হলের ছাত্রছাত্রী হিসেবে স্নাতক সম্মান/মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেছেন, সে হলের ছাত্রছাত্রী হিসেবে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন না।
১১.
এমফিল প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফির হার হিসাব পরিচালকের অফিস থেকে (কক্ষ নম্বর-১২৪) জানা যাবে। এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রার্থীরাই শুধু এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক তথ্য প্রদান না করলে ভর্তির আবেদন/ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।