বর আশফাকুর রহমান রবিনের সঙ্গে পূর্ণিমার বিয়ের দিনের স্থিরচিত্র পোস্ট করে বাপ্পী ফেসবুকে লিখেছেন, ভাবিনি কখনো যাবে চলে/ এভাবে আমাকে একা ফেলে/ স্বপ্ন নিজের হাতে ভাঙলে তুমি/ একা কেঁদে কেঁদে ক্লান্ত আমি/ প্রতিশোধ নেবে নাও, আমি বাধা দেব না/ একবার বলে যাও, কেন আমার হলে না। এরপরই বিরহের ইমো দিয়ে লিখেছেন, ‘তবুও কনগ্র্যাচুলেশন।’ এর আগে পূর্ণিমার জন্মদিনে তাঁকে উইশ করেছিলেন বাপ্পী। বলেছিলেন, ‘আপনি আমার ক্রাশ। এ জন্য এখনো বিয়ে না করে আপনার জন্য অপেক্ষা করছি। শুভ জন্মদিন পূর্ণিমা আপু।’

default-image

ঢালিউড নায়ক বাপ্পির ভীষণ পছন্দের একজন মানুষ অগ্রজ চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। বয়স আর ক্যারিয়ারে পূর্ণিমার চেয়ে ছোট হলেও অনেকটা মজাচ্ছলে পছন্দের কথা জানান এই নায়ক। বাপ্পি বলেন, 'আরে পূর্ণিমা হচ্ছেন আমাদের আপু। অভিনেত্রী এবং ব্যক্তি হিসেবে তাঁকে আমার খুবই পছন্দ। তিনি এখনো নিজের সৌন্দর্য দারুণভাবে মেইনটেইন করছেন- বিষয়টি আমার খুবই ভালো লাগে। অনেকের মতো সত্যি সত্যিই পূর্ণিমা আপু আমার ক্রাশ।’

default-image

এ বছরের ২৭ মে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। পূর্ণিমার স্বামী আশফাকুর রহমান রবিন ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আশফাকুর রহমানের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘চার কি পাঁচ বছর আগে কাজের সূত্রেই তাঁর সঙ্গে পরিচয়। সেখান থেকেই একটা ভালো বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব হয়েছে। এরপর পরিবারকে জানাই। দুই পরিবার থেকে বলা হলো, বিয়েটা করে ফেললেই ভালো। পারিবারিকভাবে ছোটখাটো আয়োজনে বাসাতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে।’ বিয়েতে দুই পরিবারের সবাই অনেক খুশি জানিয়ে পূর্ণিমা আরও বলেন, ‘দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই তো বিয়েটা হলো, সবাই খুশি। আমার মেয়েসহ সবাইকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন গ্রহণ করে নিয়েছেন, খুবই আদর করছেন। আমার মা–ও সবাইকে সুন্দরভাবে গ্রহণ করে নিয়েছেন।’

default-image

পূর্ণিমার এটা দ্বিতীয় বিয়ে। ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালে কন্যাসন্তানের মা হন তিনি। তিন বছর আগেই পূর্ণিমার সেই সংসার সঙ্গে ভেঙে যায়। পূর্ণিমার নতুন জীবনের শুরুতে তাঁর সাবেক স্বামী আহমেদ জামাল ফাহাদ শুভকামনা জানিয়েছেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন