ছোটবেলায় যখন মঞ্চে গাইতেন, শ্রোতাদের কেমন প্রতিক্রিয়া পেতেন?

মানুষ অনেক উৎসাহ দিত। এই উৎসাহ থেকেই ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন গানের প্রতিযোগিতায় অডিশন দেওয়া শুরু করি।

অনেক আগে থেকেই মঞ্চে গান করেন বলছিলেন, কোনো উল্লেখযোগ্য স্মৃতি...

নোয়াখালী, রংপুরসহ দেশের নানা প্রান্তে গাইতে গেছি। একবার বাবার সঙ্গে গাজীপুরে গিয়েছিলাম। সেই বার গাইতে নয়, স্রেফ শ্রোতা হিসেবে যাই। কিন্তু বাবার সঙ্গে আমাকে দেখে সবাই জানতে চান, উনি আপনার ছেলে? বাবা হ্যাঁ বলার পর আমার গান শুনতে চান। সে অনুষ্ঠানে গেয়ে পাঁচ হাজার টাকা বকশিশ পাই। এটা আরও ১০ বছর আগের ঘটনা।

‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা’র অভিজ্ঞতা বলুন

অসাধারণ অভিজ্ঞতা। বাদ পড়েও যেহেতু ফিরে এসেছি মনে হচ্ছিল, সৃষ্টিকর্তা হয়তো ভালো কিছুই রেখেছে। সবাই আমাকে উৎসাহিত করেছে। ছোটবেলা থেকেই যেহেতু বাউল গান করেছি, নিজের মধ্যেও আত্মবিশ্বাস ছিল। এ ছাড়া যাঁরা পরামর্শক ছিলেন, বিচারক ছিলেন, সবাই খুব সাহায্য করেছেন।

গান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?


এই স্বীকৃতি কাজে লাগিয়ে গান নিয়ে আরও সাধনা করে যেতে চাই। যেখানে, যতটুকু সুযোগ পাব, কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।