বদলে যাওয়া ডেনিমের ফ্যাশন
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাকগুলোর একটি নিঃসন্দেহে জিনস। ডেনিম দিয়ে বানানো এই পোশাকটি জেন্ডার ও বয়সের ঊর্ধ্বে চলে গেছে। অর্থাৎ নারী-পুরুষ, শিশু, বয়স্ক—সবাই পরেন। উনিশ শতকে স্বর্ণখনির শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখেই জিনসের জন্ম। শক্ত ও টেকসই হওয়ায় খুব দ্রুত এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের পোশাক হয়ে ওঠে। তবে এখন ডেনিম শুধু প্যান্টেই আবদ্ধ নেই; বরং বিশেষ এই কাপড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে স্কার্ট, কো-অর্ড, এমনকি ব্লাউজও।
নানাভাবে স্টাইল তো করাই যায়, শীত ছাড়াও যেন বছরের অন্যান্য সময় পরা যায়, সেভাবেই হালকা ওজনের ডেনিম দিয়ে পোশাক বানাচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান।
ডেনিমের বড় আকর্ষণ হলো—সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও সুন্দর লাগে। রং ফিকে হয়ে আসে, কাপড় নরম হয়, যা কাপড়টির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি সহজে অন্য পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায় এবং খুব একটা যত্ন নেওয়ারও প্রয়োজন হয় না। দামের তুলনায় দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় বলে ডেনিমের পোশাক বেশ সাশ্রয়ী। সহজলভ্য এবং প্রায় সব উপলক্ষেই পরা যায়—এই বহুমুখী ব্যবহারই এই কাপড়ের পোশাককে সবার কাছে জনপ্রিয় করেছে।
লম্বা স্কার্টটি হালকা ওজনের ডেনিম দিয়ে বানানো হয়েছে। ৩৬০ ডিগ্রি ঘেরের হলেও স্কার্টটি পরার পর ভারী মনে হয় না। লম্বা ট্রেঞ্চ কোটটি ভারী আউন্সের ডেনিমে করা।
কো-অর্ডটি গাঢ় নীল রঙের ওয়াশড কালারে করা। বানানো হয়েছে হালকা ওজনের ডেনিম দিয়ে।
গিংহ্যাম থিমে কুর্তাটি ডিজাইন করা হয়েছে। খুবই নরম ও হালকা ওজনের ডেনিমে বানানো হয়েছে।
নুড ব্রাউন রঙে গ্যাবারডিন ডেনিম ম্যাটেরিয়ালে করা হয়েছে ব্লাউজটি। কোট কলার, সামনে ধাতব বোতামের ব্যবহার নজর কাড়ে। এই ব্লাউজ চাইলে ক্রপ টপ অথবা ক্রপ জ্যাকেট হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
ডেনিম লেয়ার্ড (স্তর) মিডির সঙ্গে মডেলকে পরানো হয়েছে লাইট ওয়াশড থিক ডেনিম শ্রাগ। এটি সহজেই শার্ট অথবা টার্টেল নেক টি–শার্টের সঙ্গে পরে ফেলা যাবে।