টুইংক ক্যারল নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কী পরামর্শ দিলেন

দেশের প্রথম সারির ইনফ্লুয়েন্সার টুইংক ক্যারল ১৩ আগস্ট নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে ‘নকশা’র সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর সেই ইচ্ছেটা পূরণ করল নকশা।

২০২০ সাল থেকে কনটেন্ট বানিয়ে ইউটিউবে এবং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন ইনফ্লুয়েন্সার টুইংক ক্যারলসাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

দেখি ম্যানিফেস্টেশন কাজ করে কি না!!

কিশোর বয়স থেকেই নিয়মিত ‘নকশা’ পড়ছি। আমার একসময় এমন কিছু ডায়েরি ছিল, যেসব ‘নকশা’র কেটে রাখা নানা লেখা আর ছবি দিয়ে ভরা থাকত। মঙ্গলবার আসার জন্য সত্যিই সারা সপ্তাহ অপেক্ষা করে থাকতাম!

এখন কথা হচ্ছে আমি যখন ভাবতাম, আমার নাক বোঁচা, আমি দেখতে সুন্দর না; তখনো ভাবতাম, ইশ্, যদি নকশার ফ্রন্ট পেজে আমার ছবি আসত।

সময় বদলেছে...অনেক পত্রিকা আর ম্যাগাজিনে আমার লেখা ও কাজ প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু নকশায় এখনো হয়নি।

তাই…

এবার নকশার প্রচ্ছদে নিজের ছবি দেখার ইচ্ছাটাই প্রকাশ করছি।

১৩ আগস্ট নিজের ফেসবুক পেজে কথাগুলো লিখে ‘নকশা’র সঙ্গে কাজের ইচ্ছা প্রকাশ করেন দেশের প্রথম সারির ইনফ্লুয়েন্সার টুইংক ক্যারল। তাঁর এই পোস্টের জবাবে নকশা লিখেছিল, ‘আমরা দেখেছি। আমরা শুনেছি। আমরা অবশ্য এটি এড়িয়ে যাব না।’

আর সেই দেখা–শোনারই ফল নকশার আজকের প্রচ্ছদ।

কীভাবে শুরু

ফেসবুকের সেই পোস্ট
ছবি: টুইংক ক্যারলের ফেসবুক থেকে

টুইংক ক্যারলের কাছে ভিডিও বানানো, এডিট করাটা এমনিতেই প্রশান্তি আর স্বস্তিদায়ক একটা কাজ। সেই কাজ করে টাকা উপার্জন করবেন, হয়ে উঠবেন দেশের প্রথম সারির কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার, এমনটা কখনো ভাবেননি। টুইংক ক্যারল নিজেই শোনালেন তাঁর কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে ওঠার গল্প—

২০২০ সালে কোভিডের সময় সবাই যখন বাসায় বন্দী, পড়াশোনা বন্ধ, ক্লাস বন্ধ, তখন আমার প্রতিদিনের রুটিনটাই ছিল খুব গোছানো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মেকআপ করে তৈরি হয়ে যেতাম।

তারপর সারা দিন ভিডিও বানাতাম আর রাতে সেগুলো এডিট করতে করতে ঘুমিয়ে যেতাম। তাই কোভিডের সময়টা অনেকের জন্য কঠিন হলেও আমার খুব ভালো কেটেছে। আজ কী ভিডিও বানাব, কাল কী বানাব—এভাবে প্রতিদিনই নতুন কিছু করার পরিকল্পনা থাকত।

নিজের মেকআপ নিজেই করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

কোভিড শেষ হওয়ার আগেই ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কনটেন্ট তৈরি করে ফেলেছিলাম। তখন সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছিল, ফলে ধীরে ধীরে আমার একটা অনুসারীও হয়ে যায়।

কোভিডের পর মানুষ যখন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করে, তখনই বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকে একটু একটু করে কাজের জন্য যোগাযোগ করা শুরু করে। একটা-দুটো, তারপর তিন-চারটা কাজ করতে করতে মনে হলো, বিষয়টা তো বেশ ভালোই!

কনটেন্ট ক্রিয়েটর হওয়াটা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমি যে সময় শুরু করেছিলাম, তখন ব্র্যান্ডের কাছ থেকে কাজ পাওয়া এতটা সহজ ছিল না। এখন দেখি, কেউ ইনস্টাগ্রামে দু-তিনটা ছবি আপলোড করলেই সেই একই ইভেন্টে যাচ্ছে, যেখানে আমরা যাচ্ছি।

অর্থাৎ সুযোগের জায়গাটা অনেক সহজ হয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে, সবাই একই ধরনের কনটেন্ট তৈরি করছে। আমরা যখন শুরু করেছিলাম, পাঁচজন মানুষ থাকলে পাঁচজন পাঁচ ধরনের কাজ করত, পাঁচ ধরনের কনটেন্ট তৈরি হতো।

এখন নিজস্বতা বা আলাদা পরিচয় খুব একটা দেখি না। পাঁচজন মেয়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ঢুকলে অনেক সময় পাঁচজনকেই একই রকম মনে হয়।

একেক সময় একেক ধরনের কনটেন্ট বানান টুইংক। কখনো হঠাৎ খুব নাচতে ইচ্ছা করে, তখন শুধু নাচের কনটেন্টই বানান। আবার কিছুদিন কাজ করে টাকাপয়সা সঞ্চয় করার পর মনে হয়, এবার একটু ঘুরতে যাওয়া যাক। তখন তৈরি হয় ট্রাভেল কনটেন্ট।

ভ্রমণের সঙ্গে ফ্যাশনটা এমনিতেই চলে আসে। কোথায় যাবেন, কী পরবেন, কোন পোশাকটি ভালো হবে—এসব ভাবতে ভাবতেই তৈরি হয় ফ্যাশন কনটেন্ট। তাই তাঁর কনটেন্ট বানানো অনেকটাই যেন মুড ও জীবনযাপনের ওপর নির্ভর করে।

আরও পড়ুন

মি টাইম আর ফিটনেস

আগে অবসর পেলেই ভিডিও এডিট করতেন। এখন কাজের বাইরে একেবারে ফ্রি থাকলে নতুন কনটেন্টের পরিকল্পনা করেন, স্ক্রিপ্ট লেখেন। মজার বিষয় হলো, একেবারে বেকার হয়ে বসে থাকলেই তাঁর মাথায় নতুন নতুন আইডিয়া আসে—এটা করা যায়, ওটা করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যে কনটেন্টটি করেছিলেন, সেটিও এভাবেই মাথায় এসেছিল।

অবসর সময় পেলেই এখন সিনেমা বা সিরিজ দেখতে ভালো লাগে। সিনেমার ক্ষেত্রে পুরোনো ক্লাসিক বলিউডের সিনেমা পছন্দ। দেবদাস অন্যতম প্রিয় সিনেমা। পাশাপাশি নতুন ও ট্রেন্ডিং সিনেমাও দেখার চেষ্টা করেন। থ্রিলার ও রহস্যধর্মী সিনেমা-সিরিজও ভালো লাগে। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইমসহ বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সিনেমা ও সিরিজ দেখেন।

নাচের অনুশীলন করেন
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

আলাদাভাবে ফিটনেসের জন্য কিছু করা হয় না, জানান তিনি। আগে নিয়মিত নাচের অনুশীলন করতেন, আলাদা করে কিছু করার প্রয়োজনও তাই হতো না। অনেকক্ষণ নাচের অনুশীলন করতেন, অনেক কিছু খেলেও ওজন বাড়ত না।

এখন সেটা কিছুটা কমে যাওয়ায় ওজন একটু বেড়েছে বলে মনে করেন। আলাদাভাবে ফিটনেস ধরে রাখার জন্য বাসায় মাঝে মাঝে ওয়ার্কআউট করেন, তবে সেটা খুবই কম।

ভালোবাসেন ভ্রমণ। দেশের বাইরে ঘুরতেই ভালো লাগে বেশি। প্রতিবছর অন্তত একটি ভ্রমণ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে থাকে। ভ্রমণের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা করে এগোতে ভালোবাসেন।

দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে প্রায় তিন-চার মাস আগে থেকেই পুরো ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। কোথায় যাবেন, কী দেখবেন—সবকিছু আগে থেকে ঠিক করে রাখেন। ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে করতে নিজেরও কিছু কৌশল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম থেকে অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন।

তাঁর মতে, অনেক সময় গুগল বা অন্য কোথাও যে তথ্য পাওয়া যায় না, ইনস্টাগ্রামে স্থানীয় মানুষের শেয়ার করা পোস্টে সেই তথ্য পাওয়া যায়। লুকানো জায়গা, ছোট ক্যাফে কিংবা কম পরিচিত দর্শনীয় স্থান—এসব খুঁজে বের করে আগে নিজে গবেষণা করেন। এরপর ট্রাভেল এজেন্সিকে সেই তালিকা দিয়ে পরিকল্পনাটি সাজিয়ে দিতে বলেন।

আরও পড়ুন

যত কম, তত ভালো

ফ্লোরাল বা ফ্লোয়িং কাপড়ের পোশাক, স্কার্ট পরতে পছন্দ করেন
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

আগে অনেক ধরনের পোশাক পরতেন। এখন কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, পোশাকে যেন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। একই সঙ্গে নিজের শারীরিক গঠনের দিকেও খেয়াল রাখেন।

সময়ের সঙ্গে বুঝেছেন, কোন ধরনের পোশাক তাঁকে মানায় বেশি। যেমন ফ্লোরাল বা ফ্লোয়িং কাপড়ের পোশাক, স্কার্ট, জাম্পস্যুট এখন বেশি পরা হয়। আবার শর্টস-টি-শার্টও পছন্দ করেন। ঢাকা কলেজের উল্টো পাশ থেকে যেমন কেনাকাটা করেন, তেমনি দেশের বাইরে গেলে সেখানকার ব্র্যান্ড থেকেও কিনে থাকেন।

এখন আবার অনলাইন শপিংয়ের অভ্যাস হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে অর্ডার করার সুযোগটা সহজ হওয়ায় সারাক্ষণই অনলাইনে বসে বিভিন্ন জিনিস দেখেন ও অর্ডার করেন।

শাড়ি পরতে ভালো লাগে। তবে মজার ব্যাপার হলো, এত বছর নেচেও এখনো নিজে শাড়ি পরতে পারেন না। শিক্ষকেরা তাঁকে খুব আদর করতেন, নাচের সময় তাঁরাই অনেক সময় শাড়ি পরিয়ে দিতেন। ফলে নিজে শাড়ি পরার অভ্যাস হয়নি। অন্যদের সুন্দর করে শাড়ি পরতে দেখলে মনে মনে ভাবেন, তিনিও একদিন ভালো করে শাড়ি পরা শিখবেন।

অবসর সময় পেলেই এখন সিনেমা বা সিরিজ দেখতে ভালো লাগে
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

নিজের মেকআপ নিজেই করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর মতে, অনেক মেকআপ আর্টিস্ট মেকআপ করে চেহারাটা অতিরিক্ত সাজিয়ে ফেলেন। তাই অন্য কারও কাছ থেকে মেকআপ করিয়ে খুব একটা ভালো লাগে না।

যতটুকু পারেন, নিজেই করে নেন। তাঁর মেকআপের মূল বিষয় বা হ্যাক হলো যত কম তত ভালো। ত্বক অনেক তৈলাক্ত হওয়ায় খুব বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করেন না। বিশেষ করে দেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি মেকআপ করলে দেখতে ভালো লাগে না বলেই মনে করেন তিনি।

পর্যাপ্ত ঘুমকেই সবচেয়ে বড় বিউটি রুটিন মনে করেন। এর বাইরে তেমন নির্দিষ্ট কোনো বিউটি রুটিনও নেই। আট ঘণ্টা ঘুমাতে পারলেই নিজেকে সতেজ ও সুন্দর লাগে বলে জানান তিনি। আগে কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল রাখতেন।

এখন চুলের ক্ষেত্রে একটি মজার নিয়ম অনুসরণ করেন—মাঝামাঝি লম্বায় এলেই আবার ছোট করে ফেলেন। এই চুলই তাঁর বেশি পছন্দ। এখন মনে হয়, প্রাণবন্ত লুকের সঙ্গে ভলিউম করে কাটা চুলই ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বেশি মানানসই।

আরও পড়ুন

নতুনদের জন্য পরামর্শ

ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া কোনো বিষয়ই না। ভিডিও করে নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে পারলেই হলো, চলে আসবে খ্যাতি। পড়াশোনারও কি খুব একটা প্রয়োজন আছে!—যাঁরা এই পেশায় নেই, ইনফ্লুয়েন্সারদের বিষয়ে তাঁদের মনোভাবটা অনেকটা এই রকম।

এই বিষয়ে টুইংক ক্যারলের চিন্তাটা একটু ভিন্ন। নতুনদের জন্য তাঁর পরামর্শ, নিজের একটা পরিচয় বা নির্দিষ্ট ঘরানা তৈরি করা এই পেশায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটা বিষয় ঠিক করা, যেটা দেখলেই মানুষ বুঝবে, এটা তাঁর কনটেন্ট।

যেমন টুইংক ক্যারলের একটা বিশেষত্ব নাচ। নাচকে তাঁর কনটেন্টের একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হিসেবে রেখেছেন সব সময়। নিজের একটা ঘরানা তৈরি করে সেখানে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিলেন।

ভালোবাসেন বেড়াতে
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

আজকের টুইংক ক্যারল হয়ে ওঠার পেছনে তাঁর পড়াশোনাও অনেক সাহায্য করেছে। জানালেন, ‘হলি ক্রস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃত্যকলা (কত্থক নৃত্য) বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর বিষয়ে পড়াশোনা করেছি।

আমার মনে হয়, নাচের এই একাডেমিক শিক্ষাটা আমাকে শুধু নাচের ক্ষেত্রেই নয়, সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে ভাবতে, পারিপার্শ্বিকতা বুঝতে এবং কাজের মধ্যে সেগুলো নিয়ে আসতেও সাহায্য করেছে।’

মায়ের চাকরির কারণে নয়-দশবার স্কুল পরিবর্তন করতে হয়েছে। প্রায় প্রতিটি শ্রেণিতেই ভিন্ন জেলা ও ভিন্ন পরিবেশে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত হলি ক্রস স্কুলে এসে থিতু হয়েছিলেন।

এই ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ ও অভিজ্ঞতাগুলোও তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কাজের ধরন গড়ে তুলতে অনেক সাহায্য করেছে। ১০ হাজার টাকায় যাত্রা শুরু হলেও এখন প্রতি মাসেই তাঁর উপার্জন লাখ টাকার ওপর।

আরও পড়ুন

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অনেক ইচ্ছা আছে
সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: বালি রেস্টুরেন্ট, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়। ছবি: সুমন ইউসুফ

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অনেক ইচ্ছা আছে। ভবিষ্যতে বড় কোনো কাজে নিজেকে দেখতে চান। আগে তাঁর প্রিয় নায়ক ছিলেন সিয়াম আহমেদ। এখন অবশ্য আরও অনেক শিল্পীর সঙ্গে কাজ করতে চান। বলেন, ‘চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা আছে। তিনি অনেক বড়মাপের শিল্পী। জানি না কখনো সেই সুযোগ হবে কি না। কাজ করতে চাই প্রীতম হাসানের সঙ্গেও।’

আরও পড়ুন