‘অ্যানালিটিক্যাল স্কিল’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি

সারা পৃথিবীকেই দ্রুত বদলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলশিক্ষায় এর প্রভাব কী হবে? প্রোগ্রামারদের চাহিদা কি কমে যাবে? এমন নানা প্রশ্ন নিয়ে আমরা হাজির হয়েছিলাম বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে। কী বলছেন তাঁরা? পড়ুন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম খান–এর কথা।

গতানুগতিক শিক্ষার বাইরেও শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি। ছবিটি সিএসই ফেস্টের উদ্বোধনের সময় তোলা
ছবি: বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

এআইয়ের যুগে আমরা বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি। এই চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন আছে, তেমনি শিক্ষকদেরও। পাঠ্যক্রমের বিষয়টাই বলি। আগে আমরা পাঁচ-ছয় বছর পরপর সিলেবাস হালনাগাদ (আপডেট) করতাম। এআইয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমাদের এখন ক্রমাগত সিলেবাস নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সিলেবাস তৈরির সময় আমরা অ্যানালিটিক্যাল স্কিল (বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা) গড়ে তোলাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের পাশাপাশি অ্যালগরিদম, ডেটা স্ট্রাকচার, প্রোবাবিলিটি স্ট্যাটিসটিকস, অপটিমাইজেশন, কম্পিউটার আর্কিটেকচার—এই জিনিসগুলো শিক্ষার্থীদের আমরা ভালোভাবে শেখানোর চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন

যাঁরা সিএসই পড়তে চায়, তাদের উচিত আরও গভীরভাবে বিষয়টিকে জানা। শুধু কোড মুখস্থ করে ভাসা-ভাসা ভাবে না শিখে বিষয়গুলো বুঝতে হবে।

এআইয়ের কারণে হয়তো জুনিয়র স্তরের চাকরি কিছুটা কমবে। আগে যে কাজ করতে পাঁচজন জুনিয়র লেভেলের প্রোগ্রামার লাগত, সেটি একজন বা দুজন দিয়েই করানো যাবে। কিন্তু দেখা যাবে, আগে একটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কাজ হতো। এখন ২০টি প্রতিষ্ঠান সেই কাজগুলো করবে। ফলে এ ক্ষেত্রেও খুব বেশি তারতম্য হবে না।

কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের কাজের ক্ষেত্র অনেক বড়। ব্যবসা থেকে শুধু করে চিকিৎসা, বিজনেস অ্যানালিটিকস বা মেডিকেল ইনফরমেটিকস—সব ক্ষেত্রেই তাঁদের কাজের সুযোগ রয়েছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা নিজেদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে, তাদের আদতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং বা প্রবলেম সলভিংয়ের জায়গাগুলোতে যারা ভালো করবে, তারাই পেশাজীবনে এগিয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন