২০২৬ সালে যে ৮ বদভ্যাস আপনাকে ছাড়তেই হবে

উদ্দেশ্যহীন স্ক্রলিং করে সময় নষ্ট করবেন নাছবি: পেক্সেলস

নতুন বছর মানে কেবল নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করাই নয়, পুরোনো কিছু অভ্যাসকেও বিদায় জানানোর সময়। কারণ, আমাদের অনেক দৈনন্দিন অভ্যাসই অজান্তে সময়, শক্তি, আত্মসম্মান আর সম্ভাবনা নষ্ট করে। ২০২৬ সালে যদি সত্যিই নিজেকে আরও স্থির, পরিণত, সফল ও পরিপূর্ণ দেখতে চান, তাহলে কিছু অভ্যাস এখনই ছাড়া জরুরি।

১. উদ্দেশ্যহীন স্ক্রলিং

২০২৫ সালের ১২ মাসের প্রতিটা দিনে আপনি গড়ে কতটুকু সময় ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউবে ছিলেন, সেটা দেখুন। তাহলেই বুঝে যাবেন, আপনার ব্যস্ত জীবনে বহু কষ্টে মেলা অবসরের সিংহভাগ কীভাবে কেটেছে! কেবল নিজের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করুন।

২. ‘রিলাক্স’ হওয়ার জন্য সিনেমা, সিরিজ দেখা আর ভোরে ঘুমাতে যাওয়া

একটা ব্যস্ততম দিনের শেষে শরীর ও মনের শেষ ক্লান্তির ছিটেফোঁটাটুকু মুছে ফেলার জন্য ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

৩. ‘স্ট্রেস-স্ন্যাকিং’

এর মানে হলো মানসিক চাপ কমাতে মূলত অস্বাস্থ্যকর, মুখরোচক খাবার খাওয়া। এতে যে সময়টুকু খাবারটা খাচ্ছেন, সেটা বেশ কেটে যায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা আপনার মানসিক চাপ আরও বাড়ায়।

আরও পড়ুন

৪. ব্যস্ততার কারণে বই না পড়া

আসলে কারণটা ব্যস্ততা নয়, আসল কারণ হলো বইপড়াটাকে আপনি ‘প্রায়োরিটি’তেই আনেননি। এই বছরেই প্রতিদিন অন্তত ৫০ পৃষ্ঠা করে পড়া শুরু করুন। ধীরে ধীরে অভ্যাসটিকে আপনার সঙ্গী করে নিন।

হাতে তুলে নিন পড়ব পড়ব করেও পড়া না হওয়া চমৎকার কোনো বই।
ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

৫. অভিযোগ করা কমান

গবেষণা জানাচ্ছে, যে যত অভিযোগ করে, সে তত কম ‘প্রোডাক্টিভ’। নতুন বছরে জীবন থেকে অভিযোগ কমিয়ে ফেলুন বরং সমাধানে আপনার কী করণীয় আছে, সেটাতে নজর দিন।

৬. অতীত থেকে সেরে না ওঠা

আপনি যদি অতীত থেকে মুক্ত না হন, নিজেকে বা অন্যকে ক্ষমা করতে না পারেন, আপনার অগ্রগতি ধীর হবে। তাই সবার আগে ভারমুক্ত হোন।

আরও পড়ুন

৭. নিজেকে দেওয়া কথা না রাখা

আপনি যতবার নিজেকে করা প্রতিজ্ঞা ভাঙেন, ততবার আপনি মূলত নিজের আত্মবিশ্বাস-ই ভেঙে টুকরা টুকরা করেন। নিজের আত্মসম্মানে আঘাত হানেন।

৮. কে কী বলল, ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া

কে আপনার সম্পর্কে কী বলল বা ভাবল, তাতে আপনি কেমন, সেটা বোঝায় না বরং তিনি কেমন—সেটিই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। তাই তা নিয়ে আপনার মাথা ঘামানোর কোনো কারণ নেই!

সূত্র: কি ফর সাকসেস

আরও পড়ুন