ট্রাম্পের হুমকি কি ফাঁকা বুলি, নাকি আসলেই ভয়ের?

ট্রাম্প নতুন করে ইরানকে এবং মার্কিন হামলা থেকে বেঁচে থাকা অবশিষ্ট ইরানি নেতাদের বোমা মেরে নতি স্বীকারে বাধ্য করার হুমকি দিয়েছেন।ছবি: এএফপি

ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে আহত এক মার্কিন পাইলটকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধার করে আনার ঘটনাটিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে যুদ্ধ বিস্তারের ঝুঁকির একটি সতর্কসংকেত হিসেবে দেখতে পারতেন। বিশেষ করে যখন তিনি ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর কথা ভাবছেন, সে মুহূর্তে এই ঘটনাটিকে তিনি সম্ভাব্য ঝুঁকির মাত্রা পরিমাপের একটা মাণদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে পারতেন।

পাইলটকে উদ্ধারের কাজ ঠিকঠাকভাবে না-ও হতে পারত। যদি ওই পাইলটের কাছে সিআইএ ও মার্কিন বিশেষ বাহিনীর লোকেরা পৌঁছানোর আগেই ইরানি বাহিনী খুঁজে পেত, তাহলে পরিস্থিতি সহজেই জিম্মি সংকটে রূপ নিতে পারত।

এই ধরনের পরিস্থিতি জিমি কার্টারের প্রেসিডেন্সির অবসান ঘটিয়েছিল এবং সে কথা ট্রাম্প নিজেও মাঝে মাঝে উল্লেখ করে থাকেন।

কিন্তু উদ্ধার অভিযানের পর ট্রাম্প যেন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন—অন্তত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তাঁর অশ্লীল ভাষায় ভরা বার্তা সেটাই ইঙ্গিত করে। ইরানের নেতারা তাঁর শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি না হওয়ায় তিনি খুব চটেছেন। তাঁকে খুব হতাশ বলেও মনে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আসরে ট্রাম্প এখন হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া প্রশ্নে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে এই জলপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে ইরান এখন বুঝে গেছে—এটাই তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী দর–কষাকষির অস্ত্র।

ট্রাম্প নতুন করে ইরানকে এবং মার্কিন হামলা থেকে বেঁচে থাকা অবশিষ্ট ইরানি নেতাদের বোমা মেরে নতি স্বীকারে বাধ্য করার হুমকি দিয়েছেন।

যেসব সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর সাধারণ ইরানিরা, এমনকি সরকারের কঠোর সমালোচকেরাও দৈনন্দিন জীবনে নির্ভরশীল, ট্রাম্প সে ধরনের স্থাপনাও ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন। এমন হামলা হলে তাতে বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার বিরুদ্ধে জেনেভা কনভেনশনের বিধিনিষেধ লঙ্ঘিত হবে।

গত রোববার সকালে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল হ্যান্ডলে লিখেছেন: ‘মঙ্গলবার হবে “পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে” আর “ব্রিজ ডে”, সব একসঙ্গে ইরানে। এই জারজ পাগলগুলো, স্ট্রেইট (হরমুজ) খুলে দে, নাহলে তোদের নরকে থাকতে হবে, দেখে নিস! ‘প্রেইজ টু বি আল্লাহ’! (আলহামদুলিল্লাহ!)’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের পোস্ট করা এই মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে।
ছবি: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের হুমকি-ধমকি ও মাঝে মাঝে তাঁর অশালীন ভাষা ব্যবহার নতুন নয়। তবে তাঁর এই পোস্টটি একেবারেই ব্যতিক্রমী, কারণ দিনটি ছিল ইস্টার সানডে যা খ্রিষ্টানদের কাছে বছরের সবচেয়ে পবিত্র দিন।

শুধু ভাষার জন্য নয়, বরং ট্রাম্পের এই বক্তব্যের মধ্যে একধরনের হতাশা ও অস্থিরতার সুরও লক্ষ করা যাচ্ছে।

কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট নেতা ক্রিস মারফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে ‘সম্পূর্ণভাবে ভারসাম্যহীন’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি লিখেছেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। তিনি আরও হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করতে যাচ্ছেন।’

অন্যদিকে নেব্রাস্কার রিপাবলিকান নেতা ডন বেকন এক বার্তায় বলেছেন, ‘আমেরিকানরা তাঁদের প্রেসিডেন্টকে অশালীন ও অশ্রাব্য গালিগালাজ করা লোক হিসেবে দেখতে চায় না।’ তিনি যোগ করেন, ‘নেতৃত্বের একটি অংশ হলো আত্মসংযম।’

অশালীন ভাষা ও আলটিমেটামের বাইরে ট্রাম্পের এই টুইট আরেকটি বিষয়েরও বড় উদাহরণ। সেটি হলো—এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায় কীভাবে ট্রাম্প কখনো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি নিয়ে বড়াই করে ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এ বাধ্য করার কথা বলেন, আবার কখনো ইরানের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন হামলার হুমকি দেন।

আরও পড়ুন

মার্চের শুরুর দিকে, অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর এক সপ্তাহের একটু বেশি সময় পর ট্রাম্প বলেছিলেন, খুব শিগগিরই ইরান আত্মসমর্পণ করবে। তিনি বলেছিলেন—হয় ‘তারা হার মেনে নেবে’, নয়তো ‘তারা আর লড়াই করতে পারবে না’।

গত ২৬ মার্চ সরাসরি সম্প্রচার হতে থাকা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা একটি চুক্তির জন্য নাকি তাঁকে ‘অনুরোধ করছেন’। এর পর থেকেই তিনি বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, গোপন ব্যাক-চ্যানেল আলোচনাও চলছে।

সে আলোচনার মধ্যস্থতায় কখনো শোনা গেছে পাকিস্তানের নাম। কখনো তুরস্কের নাম। সাম্প্রতিক সময়ে মিসরের নামও শোনা যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব (সম্ভবত নতুন সর্বোচ্চ নেতাসহ) তাঁদের সম্প্রতি নিহত হওয়া পূর্বসূরিদের তুলনায় ‘অনেক বেশি যুক্তি মেনে চলা লোক’।
এমনকি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও দেশটির ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার মোহাম্মাদ বাগের গালিবাফের মধ্যে বৈঠক হবে বলেও শোনা গিয়েছিল। তবে সেই বৈঠক এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন

তবে এত কিছুর পরও হয়তো আলোচনা হতে পারে এবং ট্রাম্পের সেই ধারণাই শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হতে পারে। ট্রাম্প মনে করেন, ইরান শুরুতে যতই শক্ত অবস্থান নিক, খুব বেশি চাপে পড়লে শেষ পর্যন্ত তারা নরম হয়ে যাবে।

কিছু সাবেক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাও মনে করেন, ট্রাম্পের এই কৌশল শেষ পর্যন্ত কাজ করতেও পারে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (যা এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে) সাবেক প্রধান কেনেথ এফ ম্যাকেঞ্জি জুনিয়র রোববার সিবিএস-এর ফেস দ্য নেশন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ইতিহাস থেকে আমরা জানি, ইরানের নেতৃত্ব তখনই সাড়া দেয়, যখন শাসনব্যবস্থার ওপর অস্তিত্বগত চাপ প্রয়োগ করা হয়।’

অবশ্য এ ধরনের চাপ তৈরি করতে সময় লাগে। ট্রাম্প যেভাবে গেল বুধবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন, দুই-তিন সপ্তাহের ভারী হামলায় যুদ্ধ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।

ট্রাম্প এ কথা বললেও বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন। আর সময় যত বাড়ে, ঝুঁকিও তত বাড়ে।

আরও পড়ুন

ইরানিরা বিষয়টি ভালো করেই বোঝে। তারা জানে, তাদের জিততে হবে না; তাদের টিকে থাকতে পারলেই হবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে পারলেই তাদের উদ্দেশ্য পূরণ হবে।

যদিও ট্রাম্প এখনো দাবি করছেন, ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠ পশ্চিমা মিত্রদের গোয়েন্দা বিশ্লেষণ বলছে উল্টো কথা।

তাদের বিশ্লেষণে কিছু বিষয়ে ভিন্নতা থাকলেও বেশির ভাগই মনে করেন, ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো কিছুটা বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকলেও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তাঁর বাবা ও পূর্বসূরি আলী খামেনির (যিনি যুদ্ধের প্রথম হামলায় নিহত হন) তুলনায় আরও কঠোর অবস্থান নেবেন।

তাঁরা আরও মনে করেন, আইআরজিসি দেশের অস্তিত্বগত হুমকির মুখে আরও ক্ষমতা অর্জন করতে পারে এবং সুযোগ পেলে তারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোতে পারে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অন্তত চারটি মার্কিন বিমান হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটি ভূপাতিত হয়েছে। আর দুটি উদ্ধার অভিযানের সময় বালুতে আটকে যাওয়ায় আমেরিকান সেনারা নিজেরাই ধ্বংস করেছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘তারা যদি দ্রুত চুক্তি না করে, তাহলে আমি সবকিছু ধ্বংস করে তেল দখল করব।’ কিন্তু তিনি কখনো ব্যাখ্যা করেননি, কীভাবে তিনি দ্বীপটি দখল করবেন বা তেল উৎপাদন স্থাপনাগুলো ধরে রাখবেন।

এটি মনে করিয়ে দেয়, শত্রুর ভূখণ্ডে যুদ্ধ শুরু হলে ঘটনাপ্রবাহের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত কমে যায়। এ ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধের সময় দুর্ঘটনা ঘটে, যন্ত্রপাতি বিকল হয়, বিমানচালকদের ইজেক্ট করতে হয়।

সময় যত বাড়ে, ঝুঁকিও তত বাড়ে। কিন্তু ট্রাম্প এখনো প্রকাশ্যে তাঁর স্বল্প সময়সীমার প্রতিশ্রুতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের প্রয়োজনীয় সময়ের মধ্যে কোনো সমন্বয় করতে পারেননি। বল প্রয়োগ করে তিনি হয়তো হরমুজ খুলে দিতে পারবেন। কিন্তু সেটি খোলা রাখতে হলে মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধারাবাহিক উপস্থিতি প্রয়োজন হবে।

সম্ভবত নিয়মিতভাবে প্রণালির ইরানি অংশে অভিযান চালিয়ে ধীরগতির তেলবাহী জাহাজগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি দমন করতে হবে।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই প্রণালি খোলা রাখার দায়িত্ব একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী নেবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য সহায়তা দেবে। কিন্তু অন্যান্য শক্তিধর দেশকে এতে যোগ দিতে খুব একটা আগ্রহী দেখা যাচ্ছে না।

এমনকি এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করা চীনকেও আগ্রহী মনে হচ্ছে না।

ইউরোপীয় দেশগুলো ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ। কারণ, তাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু করেছেন, অথচ এখন তিনি তাদের সহযোগিতা চাইছেন।

গত সপ্তাহে প্যারিসে প্রায় ৪০টি দেশ হরমুজ প্রণালি আবার খোলার উপায় নিয়ে বৈঠক করে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। ভেবেচিন্তেই তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সে বৈঠক থেকে বাদ দিয়েছে।

পারস্য উপসাগরের উত্তরে ইরানের তেল রপ্তানির কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের ক্ষেত্রেও এই ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। ট্রাম্প গত সপ্তাহে বলেছেন, এটি দখল করা ‘খুব সহজ’ হবে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘তারা যদি দ্রুত চুক্তি না করে, তাহলে আমি সবকিছু ধ্বংস করে তেল দখল করব।’ কিন্তু তিনি কখনো ব্যাখ্যা করেননি, কীভাবে তিনি দ্বীপটি দখল করবেন বা তেল উৎপাদন স্থাপনাগুলো ধরে রাখবেন।

এরপর রয়েছে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান। সেটি হলো ইসফাহানের একটি গভীর ভূগর্ভস্থ স্থাপনা থেকে প্রায় ৯৭০ পাউন্ড প্রায় পরমাণু মানের ইউরেনিয়াম জব্দ করা। এই স্থানটি সেই জায়গা থেকে খুব দূরে নয়, যেখান থেকে রোববার ওই পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরনের অভিযান চালালে মার্কিন সেনাদের হতাহতের ঝুঁকি খুবই বেশি।

প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প কি এমন ঝুঁকি নেবেন? তাঁর সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মতে, প্রথম মেয়াদ তিনি এই ঝুঁকি নিতেন না। কিন্তু দ্বিতীয় মেয়াদে কিছু একটা বদলেছে।

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওভাল অফিসে থাকার পর নিজের বিচারবোধের ওপর তাঁর আস্থা (যাকে তিনি ‘মাই গাট’ বলেন) আরও বেড়েছে। তিনি এমন একটি ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা দল গঠন করেছেন, যারা আগের মতো তাঁকে চ্যালেঞ্জ করতে আগ্রহী নয়।
তার ওপর ২০২৫ সালের জুনে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা এবং পরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে কারাকাস থেকে তুলে আনার ঘটনাও ট্রাম্পকে এই বিশ্বাস দিয়েছে যে মার্কিন সামরিক শক্তি দিয়ে তিনি বিশ্বকে নিজের ইচ্ছেমতো ওঠাতে–বসাতে পারেন।

ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাস এতটাই বেড়েছে যে তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভাষ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প নাকি বিস্মিত হয়ে তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, ‘ইরান এখনো কেন আত্মসমর্পণ করছে না?’

যুদ্ধের ৩৫ দিন পার হওয়ার পরও ট্রাম্পের পাগলামিসুলভ কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে, তিনি এখনো একই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন।

  • ডেভিড ই. স্যাঙ্গার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ।
    নিউইয়র্ক টাইমস থেকে নেওয়া, অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ