বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বলছি, ইবতেদায়ি প্রধান পদের সনদের কথা। সবশেষ ২০১৮ নীতিমালায় জারি করা ইবতেদায়ি প্রধান পদটি বিলুপ্তি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, জুনিয়র মৌলভি পদে আট বছর চাকরির বয়স হলে ইবতেদায়ি প্রধানে পদোন্নতি হবে। ফলে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তিতে ইবতেদায়ি প্রধান পদের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। ২০১৮ নীতিমালা তৈরির সময় ইবতেদায়ি প্রধান পদটি বিলুপ্তি করা হয়। অথচ ওই পদে অর্জিত সনদধারীদের কথা বিবেচনা করা হয়নি। ফলে ইবতেদায়ি প্রধান পদে সনদধারীরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন। এখন ইবতেদায়ি প্রধান পদে পাস করা নিবন্ধন সনদগুলোর কী হবে? এ ক্ষেত্রে এনটিআরসিএর সামান্য উদ্যোগে সনদগুলো রক্ষা পেতে পারে।

ইবতেদায়ি প্রধান পদ ও সহকারী মৌলভি পদের নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও শিক্ষাগত যোগ্যতা একই। কোনো কোনো বছর এক সনদেই সহকারী মৌলভি, রিলিজিয়ন সহকারী মৌলভি ও ইবতেদায়ি প্রধান উল্লেখ করে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়েছে। ফলে এটি সুস্পষ্ট যে সহকারী মৌলভি, রিলিজিয়ন সহকারী মৌলভি ও ইবতেদায়ি প্রধান—সব পদ একই সমমানের। এ জন্য ইবতেদায়ি প্রধান পদটি বাতিল হলেও ওই সনদ দিয়ে সহকারী মৌলভি ও রিলিজিয়ন সহকারী মৌলভি পদে আবেদন করা যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে এনটিআরসিএর সামান্য উদ্যোগে এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত ইবতেদায়ি প্রধান পদের নিবন্ধিত সনদগুলো মরে যাওয়া থেকে বেঁচে যেতে পারে। অন্যথায় ইবতেদায়ি প্রধান পদের অর্জিত সনদগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে। তখন বলার অপেক্ষা রাখবে না যে ২০১৮ নীতিমালা একটি সনদ বাতিলের নীতিমালা, ভুল সিদ্ধান্তের নীতিমালা ও মেধাবীদের অবমূল্যায়নের নীতিমালা।

তাই কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন ২০১৮ নীতিমালাকে কলঙ্কমুক্ত নীতিমালা হিসেবে অক্ষুণ্ন রাখতে চাইলে ইবতেদায়ি প্রধান পদের সনদগুলোকে সহকারী মৌলভি পদের মর্যাদা দিতে হবে। এনটিআরসিএর একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইবতেদায়ি প্রধান পদের সনদগুলো প্রাণ ফিরে পাক এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আজিনুর রহমান
চাপানী হাট, ডিমলা
নীলফামারী।

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন