সরেজমিনে দেখা যায়, দলীয় ও জাতীয় পতাকা, বেলুন উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় পরিবেশন করা হয় জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত। গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতা –কর্মীরা দাঁড়িয়ে দেশের পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সম্মেলন শুরুর আগে মঞ্চ থেকে জানানো হয়, আগত নেতা –কর্মীদের জন্য পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে ২২ হাজার চেয়ার বসানো হয়েছে। চেয়ার পরিপূর্ণ হলে সুশৃঙ্খলভাবে পেছনে দাঁড়াতে দলের নেতা–কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সম্মেলন শুরুর আগে মঞ্চ থেকে জানানো হয়, গাবতলী এলাকায় প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য ওই পথ হয়ে নেতা–কর্মীরা আসতে পারছেন না। নেতা–কর্মীরা যাতে সম্মেলনে আসতে পারেন, এ জন্য ট্রাফিক পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের এ সম্মেলনের জন্য দলীয় প্রতীক নৌকার আদলে বড় আকৃতির মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মূলমঞ্চের সামনে আরেকটি ছোট মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্মেলনের চারপাশ ছাড়াও মঞ্চের দক্ষিণ পাশে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ সদস্য কামরুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তার বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। বিশেষ বক্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।