১২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া শ্রীলঙ্কাকে এরপর এগিয়ে নেন ফর্মে থাকা ম্যাথুস ও চান্ডিমাল। অবিচ্ছিন্ন থেকেই চা-বিরতিতে যান দুজন। বিরতির পরপরই অবশ্য ফিরতে হয় ম্যাথুসকে। নোমান আলীর টার্ন করা দারুণ এক ডেলিভারিতে কট বিহাইন্ড হন ষষ্ঠ শ্রীলঙ্কান হিসেবে শততম টেস্ট খেলা ম্যাথুস, ১০৬ বলে ৪২ রানের ইনিংসে মারেন ৫টি চার। চান্ডিমালের সঙ্গে তাঁর জুটিতে ওঠে ৭৫ রান।

ম্যাথুস ফেরার পর ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে চান্ডিমাল যোগ করেন আরও ৬৩ রান। নিজে এগোচ্ছিলেন আরেকটি শতকের দিকেই। তবে নওয়াজের বলে উইকেট ছুড়ে আসেন তিনি। সামনে এসে মিড অনের ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে শর্ট থার্ডম্যানে ধরা পড়েন ১৩৭ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৮০ রান করা চান্ডিমাল।

দ্বিতীয় নতুন বলে ডি সিলভাকে ফেরান নাসিম শাহ। ভেতরের দিকে ঢোকা বলে ব্যাট ও প্যাডের মধ্যে ফাঁক রেখেছিলেন ৬১ বলে ৩৩ রান করে ডি সিলভা। ১ বল পরই অবশ্য দ্বিতীয় উইকেটটিও পেতে পারতেন নাসিম। স্লিপে নিরোশান ডিকভেলার সহজতম ক্যাচটি ফেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ডিকভেলা তখন ব্যাটিং করছিলেন ২৪ রানে।

default-image

সেই ডিকভেলা দিনশেষে ৪৩ বলে অপরাজিত ৪২ রানে। দিনের শেষ ওভারের আগের ওভারে হাসান আলীর বলে ডিকভেলার বিপক্ষে এলবিডব্লুর রিভিউ নেন বাবর। তবে ‘দায়মোচন’-এর সুযোগ পাননি তিনি। ডিকভেলা অক্ষতই আছেন, খেলছেন আরেকটি প্রতি আক্রমণের ইনিংস। দিন শেষে তাঁর সঙ্গী ৯ বলে ৬ রান করা দুনিথ ওয়েলালাগে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন