প্রাথমিকভাবে চেষ্টা করা হবে রোববারই খেলা চালানোর। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ফল আনতে গেলে কমপক্ষে ১০ ওভার করে খেলা হতে হবে। সেটিও যদি সম্ভব না হয়, তাহলে ম্যাচ যাবে রিজার্ভ ডেতে। একবার ম্যাচ শুরু হয়ে গেলে প্রথম দিন যেখানে শেষ হয়েছে, রিজার্ভ ডেতে খেলা শুরু হবে সেখান থেকেই। টস হলেই ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

রিজার্ভ ডে কীভাবে কাজ করবে, সেটির ব্যাখ্যায় দুটি উদাহরণ দিয়েছে আইসিসি। ধরুন, ২০ ওভারেই খেলা শুরু হলো। ৯ ওভার শেষ হওয়ার পর বৃষ্টি আসায় ম্যাচ নেমে এল ১৭ ওভারে। এরপর আবার খেলা শুরু হওয়ার আগেই বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে গেল। সে ক্ষেত্রে পর দিন খেলা শুরু হবে ২০ ওভার ধরেই, যেহেতু পরিবর্তিত কন্ডিশনে আগের দিন খেলা হয়নি।  তবে রিজার্ভ ডেতেও যদি বৃষ্টি হানা দেয়, সে ক্ষেত্রে ওভার কমে আসতে পারে।

আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে, ২০ ওভারের ম্যাচ শুরু হওয়ার পর যদি ৯ ওভার শেষে বৃষ্টি নামার কারণে খেলা নেমে এল ১৭ ওভারে। তবে খেলা শুরু হওয়ার পর যদি ১ ওভার শেষে আবার বন্ধ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে পরদিন ম্যাচ হবে ওই ১৭ ওভারেই।

এমনিতে ফাইনালের দিন অতিরিক্ত ৩০ মিনিট রাখা হলেও রিজার্ভ ডেতে ফল আনতে রাখা হয়েছে অতিরিক্ত ২ ঘণ্টা।

দুই দিন মিলিয়েও ফল আনা সম্ভব না হলে শিরোপা ভাগাভাগি করবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। এর আগে ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ও ভারত। সেবারও ফাইনালে রিজার্ভ ডে ছিল, তবে শ্রীলঙ্কা ইনিংসে ৫০ ওভার হলেও ভারতের ২ ওভার ব্যাটিংয়ের পরই বন্ধ হয়ে যায় খেলা। যেটি শুরু হতে পারেনি আর। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালটি হয়েছিল দুই দিন মিলিয়ে।

এ বিশ্বকাপে শুরু থেকেই শঙ্কা ছিল বৃষ্টির। মেলবোর্নে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচটিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সেটি হয়েছিল ঠিকঠাকই। তবে এরপর হোবার্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচটি প্রথম পরিত্যক্ত হয়, এরপর মেলবোর্নে পরিত্যক্ত হয় টানা তিনটি ম্যাচ—নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জেতে আয়ারল্যান্ড।