শুরুতেই জিম্বাবুয়েকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ
সম্প্রচার শেষ ১০ আগস্ট ২০২২

জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ তৃতীয় ওয়ানডে

১০৫ রানের সান্ত্বনার জয় বাংলাদেশের

১২: ৪২, আগস্ট ১০

অভিষেক হচ্ছে ইবাদতের

সিরিজের শেষ ম্যাচে অভিষেক হচ্ছে ইবাদত হোসেনের। টসের আগে এ পেসারকে পরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওয়ানডে ক্যাপ, হারারে থেকে জানিয়েছেন মোহাম্মদ জুবাইর

১২: ৪৮, আগস্ট ১০

টস

শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের অধিনায়কত্ব করছেন সিকান্দার রাজা। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। টানা তিন ম্যাচ তাই আগে ব্যাটিং করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজেও সবকটি ম্যাচে টস হারলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। আর টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচে টসে জিতলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।

১২: ৫১, আগস্ট ১০

ফিরলেন মোস্তাফিজ

চোটের কারণে দ্বিতীয় ম্যাচে না খেলা মোস্তাফিজুর রহমান ফিরেছেন একাদশে। ইবাদতের অভিষেক হচ্ছে, বলা হয়েছে আগেই। মোস্তাফিজ ও ইবাদতকে জায়গা করে দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম। তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ দলে আছে এ দুটিই পরিবর্তন।

একাদশ

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), এনামুল হক, নাজমুল হোসেন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ

১২: ৫৫, আগস্ট ১০

রাজা অধিনায়ক, অভিষেক মাদান্দের

দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সময় পাওয়া চোটে ছিটকে গেছেন রেজিস চাকাভা। অভিষেক হচ্ছে ক্লাইভ মাদান্দের।

একাদশ

সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্র্যাডলি এভান্স, লুক জঙ্গুয়ে, ইনোসেন্ট কাইয়া, তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো, ক্লাইভ মাদান্দে, ওয়েসলি মাধেভেরে, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়াউচি

১৩: ৩৩, আগস্ট ১০

ইতিবাচক শুরু তামিমের

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রিচার্ড এনগারাভাকে চার মেরে শুরু করেন তামিম। তবে পরের ২ ওভারে বাউন্ডারি আসেনি কোনো। ভিক্টর নিয়াউচির করা চতুর্থ ওভারে তামিম মেরেছেন টানা দুই চার—কাভার ড্রাইভের পর অন ড্রাইভে। চতুর্থ ওভারে এসেছে ১২ রান। বাংলাদেশ বিনা উইকেটে তুলেছে ২২ রান। আবারও ইতিবাচক শুরু তামিমের। তবে আজ ইনিংস বড় করতে পারবেন তিনি?

১৩: ৪০, আগস্ট ১০

তবুও শক্তিশালী জিম্বাবুয়ে…

নিয়মিত অধিনায়ক নেই, প্রথম দুই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দেন রেজিস চাকাভা। দ্বিতীয় ম্যাচে করেন দুর্দান্ত এক শতক, জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে যেটি দ্রুততম। তবে চোটের কারণে আজ চাকাভাও নেই, জিম্বাবুয়ের নেতৃত্ব স্বপ্নের ফর্মে থাকা সিকান্দার রাজার হাতে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জিম্বাবুয়ে। চোট, বিশ্রাম—সব কিছু মিলিয়ে দলে নেই প্রথম সারির বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। বাছাইপর্বে খেলা ৮ জনকে ছাড়াই আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে নেমেছে স্বাগতিকেরা।

অবশ্য সিরিজ আগেই জেতা হয়ে গেছে তাদের, বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ নয় বলে জিম্বাবুয়ের কাছে ম্যাচটি ‘ডেড রাবার’। আজ অভিষেক করানো হয়েছে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ক্লাইভ মাদান্দেকে। এ সিরিজে চতুর্থ জিম্বাবুইয়ান হিসেবে অভিষেক হলো তাঁর।

default-image
১৪: ০১, আগস্ট ১০

এনামুলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির পর রানআউট তামিম, নাজমুল প্রথম বলে ডাক

ক্রিজের অর্ধেকেরও বেশি পেরিয়ে গিয়েছিলেন তামিম। সেখান থেকে ফিরে আসাটা সহজ নয় মোটেও। ডাইভ দিয়েও ক্রিজে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এনগারাভার বলে পয়েন্টে খেলেছিলেন এনামুল, তাঁকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে দেখে দৌড় শুরু করেন তামিম। তবে এনামুলের সেদিকে যেন খেয়ালই ছিল না, দাঁড়িয়েই থাকেন তিনি। পয়েন্টে ভালো ফিল্ডিং করা মাধেভেরের থ্রো-টা সুবিধার ছিল না মোটেও। তবে তামিম এতটাই বেরিয়ে গিয়েছিলেন, এনগারাভা ডানদিকে ঝুঁকে বল সংগ্রহ করে স্টাম্প ভাঙার সময় পেয়েছেন।

৪১ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তামিমের হতাশা ছিল স্পষ্ট, ভুল বুঝে হতাশ মনে হচ্ছিল এনামুলকে। তামিম রানআউট হওয়ার পরই অবশ্য ইনসাইড আউটে দারুণ এক শটে ছক্কা মেরেছেন এনামুল।

৯ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৪৭/১।

ঠিক পরের ওভারের প্রথম বলে ব্র্যাড এভান্সের শর্ট বলে লাফিয়ে উঠে কাট করতে গিয়েছিলেন নাজমুল। ধরা পড়েছেন ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট। মুখোমুখি প্রথম বলেই আউট তিনি। ভালো শুরুর পর হুট করেই চাপে বাংলাদেশ।

১৪: ০৭, আগস্ট ১০

৪ বলের মধ্যে নেই নাজমুল ও মুশফিক

তামিম, নাজমুলের পর এবার ফিরলেন মুশফিকও। পরের দুজন ফিরলেন কোনো রান না করেই।

এভান্সের শর্ট বলটি ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে, শেষ মুহূর্তে গিয়ে সেটিতেই ব্যাট চালালেন মুশফিক। থার্ডম্যান থেকে বেশ খানিকটা ছুটে এসে ডাইভ দিয়ে ভালো ক্যাচ নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা। ৪ বলের মধ্যে বাংলাদেশ হারাল নাজমুল ও মুশফিককে—দুজনই ফিরলেন কোনো রান না করেই।

বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারাল ৮ বলের মধ্যে।

১৪: ০৯, আগস্ট ১০

ধবলধোলাই নাকি সান্ত্বনার জয়

২০২২ সালে এসে বাংলাদেশ দল সেই ২০০১–এর সেই ভয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি জিতে জিম্বাবুয়ে এর মধ্যেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে। এবার তাদের চোখ ৩-০–এ।

১৪: ২২, আগস্ট ১০

আক্রমণাত্মক এনামুল

শর্ট বল—নাজমুল আউট। শর্ট বল—মুশফিক আউট।

এনামুল হক অবশ্য শর্ট বলে এখন পর্যন্ত ভিন্ন ফলই আনছেন। এনগারাভার শর্ট বলে হুক করে প্রথমে মেরেছেন ছয়, বাংলাদেশের ৫০ রান হয়ে গেছে তাতে। পরে এভান্সকে আরেকটি হুকে মেরেছেন আরেকটি ছয়। এ দুইয়ের মাঝে এভান্সকে লং অন দিয়ে মেরেছেন আরেকটি চার।

১৪তম ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৬৮, ৩৯ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত এনামুল।

১৪: ২৫, আগস্ট ১০

ক্লাইভ মাদান্দে, জিম্বাবুয়ের ১৫২তম ওয়ানডে ক্রিকেটার

১৪: ৩৮, আগস্ট ১০

এনামুলের অর্ধশতক

প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৭৩ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে ২০ রান করে হয়েছিলেন রানআউট। তৃতীয় ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়েছেন তামিম। তবে এনামুল ঠিকই পেলেন আরেকটি অর্ধশতক। দ্রুত ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং-ই করছিলেন, যদিও গতি কমে এসেছে একটু। ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক পেতে তাঁর লাগল ৪৮ বল। এখন পর্যন্ত চারটি চারের সঙ্গে মেরেছেন তিনটি ছক্কা।

১৪: ৫৩, আগস্ট ১০

ছুটছেন এনামুল, বাংলাদেশের ১০০

স্লটে পেয়েছিলেন, তবে তাতে শুধু ফ্লিকের মতো করলেন এনামুল। টাইমিং ছিল দুর্দান্ত, বল চলে গেছে ডিপ স্কয়ার লেগ বাউন্ডারি পেরিয়ে ছাদের ওপর! এনামুলের এটি চতুর্থ ছক্কা, ওই শটেই ১০০ ছুঁয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। ঠিক পরের বলেই এভান্স অফ স্টাম্পের বাইরে জায়গা দিয়েছেন, ড্রাইভ করে চার মেরেছেন এনামুল।

৮ বলের মধ্যে তামিম, নাজমুল ও মুশফিককে হারিয়ে চাপে ফেলা বাংলাদেশকে নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করছেন এনামুল ও মাহমুদউল্লাহ। দুজনের জুটি ছুঁয়ে ফেলেছে ৫০ রান। মাহমুদউল্লাহ বেশ ধীরগতিতে এগোলেও এনামুল বেশ ইতিবাচক ব্যাটিং-ই করে যাচ্ছেন।

২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ১০৯।

১৫: ০৮, আগস্ট ১০

৭৬ রানেই থামলেন এনামুল

আগের বলটি ছিল লেগ সাইডে, লেগবাইয়ে এসেছিল চার। পরেরটি অফ স্টাম্প লাইনে। লুক জঙ্গুয়ের বলে এনামুল ধন্দে পড়ে গেলেন, শেষ পর্যন্ত ফেসটা ওপেন করে বিপদ ডেকে এনেছেন তিনি। খোঁচা দিয়ে ফিরতে হলো তাঁকে। কট বিহাইন্ড হওয়ার আগে ৭১ বলে ৭৬ রান করেছেন এনামুল। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তাঁর জুটিতে ৯০ বলে উঠেছে ৭৭ রান। বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে ১২৪ রানে।

সিরিজে দ্বিতীয়বার ৭০ ছুঁয়ে ফেলার পর আটকে গেলেন এনামুল।

default-image
১৫: ৪৬, আগস্ট ১০

আলগা শটে আউট মাহমুদউল্লাহ

৬৮ বল খেলার পর এমন আলগা শটে আউট—মাহমুদউল্লাহ নিজেকেই দুষতে পারেন শুধু। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটা স্টাম্পেই ডেকে আনলেন মাহমুদউল্লাহ। আগের দিন বাংলাদেশকে ২৯০ পর্যন্ত নিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন, তবে আজ শুরু থেকেই রান তুলতে ভুগতে থাকা মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন ৩৫তম ওভারেই। ৬৯ বল খেলে মাহমুদউল্লাহ করেছেন ৩৯ রান, স্ট্রাইক রেট ৫৬.৫২। কমপক্ষে ৩৫ রান করেছেন, এমন ইনিংসগুলোতে এর চেয়ে কম স্ট্রাইক রেটে তিনি ব্যাটিং করেছেন আর তিন বার।

১৭৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

১৬: ০৬, আগস্ট ১০

আফিফ পার করাতে পারবেন বাংলাদেশকে?

বাংলাদেশের শেষ স্বীকৃত জুটি এটি। মাহমুদউল্লাহ ফেরার পর তাই চাপ আরও বেড়েছে আফিফের ওপর। যদিও শুরুটা আগের দিনের মতোই ইতিবাচক করেছেন তিনি। অবশ্য ২ রানে দাঁড়িয়ে জীবন পান, ইনোসেন্ট কাইয়াকে ফিরতি ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি।

তাঁর প্রথম বাউন্ডারি আসে লং অন দিয়ে মারা দারুণ এক ছয়ে। আগের দিন ৪১ বলে ৪১ রান করে ফেরা আফিফের ওপর দায়িত্বটা বেশি আজ আরও। ৩৯তম ওভার শেষে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়েছে তুলেছে ১৮৪ রান, আফিফ অপরাজিত ৪৭ বলে ৩৬ রানে। তাঁর সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ।

১৬: ২২, আগস্ট ১০

রাজার বলে এলবিডব্লু মিরাজ

মিরাজের সঙ্গে আফিফের জুটি থামল ৩৩ রানেই। রাজার বলে এলবিডব্লু হয়ে ফিরলেন মিরাজ, ২৪ বলে ১৪ রান করে। গুডলেংথের বলটা সামনে ঝুঁকে ডিফেন্ড করতে গিয়েছিলেন তিনি। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত্ব তাঁকে সন্তুষ্ট মনে হয়নি, তবে রিভিউ নেই বলে কিছু করারও নেই।

৮ ওভার বাকি, বাংলাদেশ হারাল ষষ্ঠ উইকেট। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ ঢুকে গেল টেলএন্ডে, আফিফকে সঙ্গ দিতে এসেছেন তাইজুল ইসলাম।

১৬: ২৫, আগস্ট ১০

আফিফের অর্ধশতক

রাজার বলে ডাবলস নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করলেন আফিফ, মাইলফলকে যেতে তাঁর লাগল ৫৭ বল। ক্যারিয়ারে এ বাঁহাতির এটি তৃতীয় ফিফটি, সর্বশেষটি পেয়েছিলেন গত মার্চে, জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

১৬: ৩৪, আগস্ট ১০

রানআউট তাইজুল

মিডউইকেটের দিকে খেলে ডাবলস নিতে গিয়েছিলেন আফিফ হোসেন, সাড়াও দিয়েছিলেন তাইজুল। তবে তাদিওয়ানাশে মারুমানির সরাসরি থ্রোয়ে রানআউট তাইজুল। দারুণ ক্যাচের পর এবার সরাসরি থ্রোয়ে রানআউট—ফিল্ডিংয়ে দারুণ দিন কাটাচ্ছে স্বাগতিকেরা। তাইজুলের আগে রানআউট হয়ে ফিরেছেন তামিমও।

৭ উইকেট ২২১ রান তুলেছে বাংলাদেশ, বাকি ৪ ওভার।

১৬: ৩৮, আগস্ট ১০

৪৭তম ওভারে ১৩

রিভার্স স্কুপে চার। এরপর জায়গা বানিয়ে ইনসাইড আউটে ছয়। রিচার্ড এনগারাভার ওপর চড়াও হয়েছেন আফিফ। ৪৭তম ওভারে এসেছে ১৩ রান। ৩ ওভার বাকি থাকতে বাংলাদেশের স্কোর ২৩৪/৭।

১৬: ৪৯, আগস্ট ১০

বাকি ১ ওভার

৪৮তম ওভারে মাত্র ২ বল স্ট্রাইক পেয়েছেন আফিফ। মাঝে ফিরেছেন হাসান মাহমুদ। শেষ বলে প্যাডল স্কুপের মতো শটে মেরেছেন চার। জঙ্গুয়ের ওভারে ৭ রানের বেশি ওঠেনি।

পরের ওভারে স্ট্রাইক ফিরে পেতে আফিফকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩ বল। তবে সেটিও মোস্তাফিজের রানআউটের বিনিময়ে। শেষ ৩ বলে অবশ্য ৩ রানের বেশি নিতে পারেননি আফিফ, তবে শেষ ওভারে ধরে রেখেছেন স্ট্রাইক।

১৬: ৫৭, আগস্ট ১০

২৫৬ রানে থামল বাংলাদেশ

নো, দুটি ওয়াইড—লুক জঙ্গুয়ের করা শেষ ওভারটি দীর্ঘই হলো। তাতে উঠেছে ১২ রান। প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৩০৩ ও ২৯০ রানের পর তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ তুলতে পারল ২৫৬ রান।

এনামুল হক ৭০ বলে ৭৬ রান করার পর আফিফ হোসেন খেলেছেন ৮১ বলে ৮৫ রানের ইনিংস। তবে এ দুজন ছাড়া নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি কেউ। শুরুতে তামিমের রানআউটের পর নাজমুল ও মুশফিক ফেরেন ৪ বলের ব্যবধানে। সে চাপ সামাল দিতে গিয়ে কিনা ৬৯ বলে ৩৯ রানের মন্থর ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। যদিও অন্য প্রান্তে এনামুল ছিলেন ইতিবাচকই।

এনামুল ফেরার পর আফিফের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। এরপর আফিফকে সে ভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। তবে চাপের মুখে দাঁড়িয়ে এ বাঁহাতি খেলেছেন দারুণ এক ইনিংস। শুরুতেই জীবন পেয়েছিলেন, সেটি কাজে লাগিয়েছেন ভালোভাবেই। ইনিংসে ৬টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ২টি ছক্কা।

১৭: ৩১, আগস্ট ১০

কাইতানোকে ফেরালেন হাসান, প্রথম ওভারেই

‘স্লো ডেথ’ আম্পায়ার। রুডি কোয়ের্তজেন পরিচিত ছিলেন এই নামে। আউটের সিদ্ধান্ত দিতে দেরি করতেন বলেই ওই সিদ্ধান্ত। ল্যাংটন রুসেরে মনে করালেন কোয়ের্তজেনকেই। বেশ খানিকটা সময় নিয়ে অবশেষে আঙুল তুললেন তিনি, সেটিও আবার কোয়ের্তজেনের মতোই বাঁ হাতের।

হাসান মাহমুদের ভেতরের দিকে ঢোকা বলটা আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে মিস করে গিয়েছিলেন তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো। হয়েছেন এলবিডব্লু। প্রথম ওভারেই উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে। ওয়াইড ও লেগ বাই থেকে প্রথম ওভারে এসেছে ৫ রান।

১৭: ৩৬, আগস্ট ১০

২ ওভারে জিম্বাবুয়ের ২ উইকেট—দেজা ভু

দেখে মনে হবে, তাদিওয়ানাশে মারুমানির যেন ড্রেসিংরুমে ফেরার তাড়া আছে।

মেহেদী হাসান মিরাজ এসেছেন দ্বিতীয় ওভারে। সফলও হলেন। ক্রিজ ছেড়ে তেড়েফুড়ে এসে খেলতে গিয়ে বলের লাইন পুরোপুরি মিস করে গেছেন মারুমানি। অফ স্টাম্প হারিয়েছেন তিনি, ফিরেছেন ১ রান করেই। প্রথম ওয়ানডেতেও প্রথম ২ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ৩০৩ রান তাড়ায় সে ম্যাচ অবশ্য তারা জিতেছিল ৫ উইকেটে।

১৭: ৪৮, আগস্ট ১০

অবশেষে ইবাদত

ওয়ানডে দলের সঙ্গে ঘুরছিলেন বেশ কিছু দিন ধরেই। তবে অভিষেকটাই হচ্ছিল না তাঁর।

এবার অবশ্য ইবাদত শুরুতে দলেই ছিলেন না। প্রথম ম্যাচে লিটন দাস চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ার পর মোহাম্মদ নাঈমের সঙ্গে ডেকে পাঠানো হয় এ পেসারকেও। চোটের শঙ্কা ছিল মোস্তাফিজুর রহমান ও শরীফুল ইসলামকে নিয়েও।

ইবাদত যখন জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ডাক পান, তখন তিনি খুলনায়। বাংলা টাইগার্সের হয়ে এইচপি দলের বিপক্ষে খেলার জন্য। ১৭টি টেস্ট খেলার পর অবশেষে আজ ওয়ানডে অভিষেক হলো ইবাদতের। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে খেলা ১৩৯তম ক্রিকেটার তিনি। তাঁর আগে সর্বশেষ অভিষেক হয়েছিল নাসুম আহমেদের।

চতুর্থ ওভারে প্রথমবারের মতো বোলিংয়ে এসেছেন ইবাদত। প্রথম বলটা করেন ওয়াইড। শেষে গিয়ে আবার ওয়াইড করেন, মাঝে দেন একটি সিঙ্গেল।

default-image
১৭: ৫৭, আগস্ট ১০

ইবাদতের পর পর ২ বলে নেই মাধেভেরে ও রাজা

বাড়তি বাউন্সে ভড়কে গেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। তাঁর ব্যাটের কাঁধে লেগে বল গেল পয়েন্টে। মিরাজ ভুল করেননি। ইবাদত ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট পেয়ে গেলেন তাতেই। এরপর এল তাঁর স্যালুট উদ্‌যাপন। টেস্ট ক্রিকেটে যে দৃশ্য মোটামুটি পরিচিত, এবার দেখা গেল ওয়ানডেতেও।

জিম্বাবুয়ে তৃতীয় উইকেট হারাল ১৮ রানে। ক্রিজে এসেছেন সিকান্দার রাজা… সিরিজে জিম্বাবুয়ের নায়ক টিকলেন মাত্র ১ বল! ইবাদত করলেন দারুণ ইয়র্কার, যেটির জবাব ছিল না ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। আগের দুই ম্যাচেই অপরাজিত থেকে ম্যাচ জেতানো রাজা এবার ফিরলেন ‘গোল্ডেন ডাক’ সঙ্গী করে। মোটামুটি সিরিজের প্রেক্ষিতে ‘ব্রেকিং নিউজ’ ধরনের ঘটনাই!

অভিষেকেই হ্যাটট্রিকের সামনে ছিলেন ইবাদত। হ্যাটট্রিক বলে আবার স্ট্রাইকে ছিলেন আরেক অভিষিক্ত—ক্লাইভ মাদান্দে। যদিও সেটি ছিল নো বল।

১৮: ০১, আগস্ট ১০

শুভ জন্মদিন, কাইয়া!

ক্রিজে অভিষিক্ত মাদান্দের সঙ্গী ইনোসেন্ট কাইয়া। প্রথম ম্যাচে রাজার সঙ্গে জিম্বাবুয়ের জয়ের অন্যতম নায়ক। আজ ৩০ পূর্ণ করলেন এ ব্যাটসম্যান। জন্মদিনেও দারুণ কিছু করতে পারবেন?

১৮: ১৬, আগস্ট ১০

৫ উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের

জন্মদিনে খুব বেশিক্ষণ টিকলেন না কাইয়া। তাইজুল ইসলামের আর্ম বলে এলবিডব্লু হয়ে ফিরেছেন তিনি। প্রথম নবম ওভারে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। ১০ ওভার শেষে তাদের স্কোর ৩২/৫।

১৮: ২৯, আগস্ট ১০

তাইজুলের দ্বিতীয়

তাইজুলের বলে ফ্লাইটের সঙ্গে ছিল টার্নও। টনি মুনিয়োঙ্গা আক্রমণ করতে গিয়ে ফিরে গেলেন। বলের নাগালই পাননি, বাকি কাজটা সহজেই সেরেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ উইকেটকিপারের ইনিংসে এটি দ্বিতীয় স্টাম্পিং, তাইজুলের দ্বিতীয় উইকেট, জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ। স্কোরবোর্ডে রান ৪৯।

১৮: ৪১, আগস্ট ১০

ছবি ও ছবির কারিগর

default-image
১৮: ৪৭, আগস্ট ১০

র‍্যাঙ্কিং আপডেট

আজ ফিরেছেন প্রথম বলেই। তবে সিকান্দার রাজা প্রথম দুই ম্যাচে ছিলেন উজ্জ্বল। সেটির ছাপ পড়েছে র‍্যাঙ্কিংয়েও।

১৯: ০৪, আগস্ট ১০

মোস্তাফিজের প্রথম, জিম্বাবুয়ের সপ্তম

নিজের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট পেলেন মোস্তাফিজ। বাউন্সারে লেগ সাইডে খেলতে গিয়েছিলেন লুক জঙ্গুয়ে, তবে বল গেছে অফ সাইডে, কাভারে। ২৫ বলে ১৫ রান করে ক্যাচ দিয়েছেন জঙ্গুয়ে, ভেঙেছে মাদান্দের সঙ্গে তাঁর ২৮ রানের জুটি—জিম্বাবুয়ে ইনিংসে এখন পর্যন্ত যেটি সর্বোচ্চ।

১৯: ১০, আগস্ট ১০

মোস্তাফিজের দ্বিতীয়, জিম্বাবুয়ের অষ্টম

আরেকটি শর্ট বল মোস্তাফিজের, আরেকটি উইকেটও। এবার ক্লাইভ মাদান্দে তুলে মারতে গিয়ে আকাশে তুলেছেন বল। মুশফিকুর রহিম নিয়েছেন ক্যাচ। মোস্তাফিজ পেয়েছেন দ্বিতীয় উইকেট, জিম্বাবুয়ে হারিয়েছে অষ্টম। জয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ।

১৯: ১৪, আগস্ট ১০

মোস্তাফিজের তৃতীয়, জিম্বাবুয়ের নবম

আগের দুটি উইকেটই মোস্তাফিজ পেয়েছিলেন শর্ট বলে। এবার করলেন তাঁর ট্রেডমার্ক স্লোয়ার—তাতেই লিডিং এজড ব্র্যাডলি এভান্স। পয়েন্টে ক্যাচ নিয়েছেন মিরাজ। ৪ বলের মধ্যে ২ উইকেট নিলেন মোস্তাফিজ। ২৩তম ওভারেই নবম উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে।

১৯: ৩১, আগস্ট ১০

আউট হয়েও হলেন না নিয়াউচি

কী হলো আসলে!

নিয়াউচির ক্যাচ নিয়ে উল্লাস করার কথা ছিল তামিম ইকবালের। তেমন কিছু করলেন না। এরপর হাসান মাহমুদ আবার করা শুরু করলেন ওয়াইড-নো। ধোঁয়াশা তাই বাড়ল আরও।

পরে জানা গেল, আদতে হাসানের আগের বলটি নো ছিল, ফলে ফ্রি হিটেই ক্যাচ তুলেছিলেন নিয়াউচি। শেষ পর্যন্ত শেষ উইকেটটি হারায়নি জিম্বাবুয়ে। ২৩ ওভারে তাদের প্রয়োজন ১৪৯ রান।

১৯: ৩৫, আগস্ট ১০

রেকর্ড জুটি

এনগারাভার ও নিয়াউচির দশম উইকেট জুটিতে এখন পর্যন্ত উঠেছে ৩৩ রান। শুধু এ ম্যাচের নয়, দশম উইকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ জুটি এটি। আগের রেকর্ড ছিল ব্লেসিং মাওয়্যার ও এড রেইন্সফোর্ডের। ২০০৬ সালে তাঁরা যোগ করেছিলেন ২৬ রান।

সব মিলিয়ে দশম উইকেটে জিম্বাবুয়ের রেকর্ড জুটিটি শিঙ্গিরাই মাসাকাদজা ও ইয়ান নিকোলসনের। ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁরা তুলেছিলেন ৬০ রান, ২০১০ সালে হারারেতে।

১৯: ৫২, আগস্ট ১০

রেকর্ড ভাঙছেন এনগারাভা-নিয়াউচি

প্রথমে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের দশম উইকেট জুটির রেকর্ড গড়লেন। এরপর ভাঙল বাংলাদেহের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের রেকর্ড। এবার যে কোনো দলের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের দশম উইকেট জুটির রেকর্ডও ভেঙে দিলেন এনগারাভা ও নিয়াউচি। সর্বশেষ ৫ ওভারে দুজন যোগ করেছেন ৩৯ রান।

দুজনের জুটিতে এখন পর্যন্ত উঠেছে ৬১ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে দশম উইকেটে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৫৯ রানের—২০১৮ সালে সেটি গড়েছিলেন দেবেন্দ্র বিশু ও আলজারি জোসেফ। আর যে কোনো দলের বিপক্ষে দশম উইকেটে জিম্বাবুয়ের রেকর্ড জুটিটি ছিল শিঙ্গিরাই মাসাকাদজা ও ইয়ান নিকোলসনের। ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁরা তুলেছিলেন ৬০ রান, ২০১০ সালে হারারেতে।

১৯: ৫৬, আগস্ট ১০

এবার পড়ল ক্যাচ

ম্যাচের যে পরিস্থিতিই হোক, ক্যাচ ফেলা যেন রীতিই হয়ে গেছে বাংলাদেশের। সর্বশেষ ফেললেন মুশফিকুর রহিম। ইবাদতের অনেক বাইরের বলে ব্যাট চালিয়েছিলেন এনগারাভা। বাঁদিকে ঝাঁপ দিয়ে নাগাল পেলেও ক্যাচটি ঠিকঠাক নিতে পারেননি মুশফিক।

এনগারাভা ও নিয়াউচি তাই হতাশ করেই চলেছেন বাংলাদেশকে!

১৯: ৫৮, আগস্ট ১০

১০৫ রানে জিতল বাংলাদেশ

এর আগে কট বিহাইন্ডের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। ফ্রি হিটে ক্যাচ হয়েছে, পরে ক্যাচ পড়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান আর কারও ওপর নির্ভর করতে চাইলেন না। তাঁকে জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হলেন নিয়াউচি। প্রথম দুই ম্যাচ হারার পর সিরিজের শেষ ম্যাচে এসে ১০৫ রানের সান্ত্বনার জয় পেল বাংলাদেশ।

আগের দুই ম্যাচের চেয়ে সংগ্রহ ছিল কম। তবে বোলাররা ঠিকই সেটিকে বানিয়ে ফেললেন যথেষ্টর চেয়েও বেশি। প্রথম ২ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা জিম্বাবুয়ে পথ খুঁজে পায়নি আর। শেষে এসে অবশ্য প্রতিরোধ গড়েন রিচার্ড এনগারাভা ও ভিক্টর নিয়াউচি, দশম উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ৬৮ রান। ম্যাচেই এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। তবে যথেষ্ট হয়নি সেটি।

মোস্তাফিজ শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ১৭ রানে। ২টি করে নিয়েছেন ইবাদত ও তাইজুল, ১টি করে নিয়েছেন হাসান ও মিরাজ।

এটি ছিল বাংলাদেশের ৪০০তম ম্যাচ। এর আগে ১০০ ও ২০০তম ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, হেরেছিল ৪০০তম ম্যাচে।

২০: ২০, আগস্ট ১০

ম্যাচ রিপোর্ট