ফেবারিট হয়েও গত বছর সেমিফাইনালে আটকে গেছে ইংল্যান্ড, আবার টুর্নামেন্টের শুরুতে খুব বেশি এগিয়ে না থেকেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

ছোট সংস্করণের খেলায় যেকোনো দল, যে কাউকে হারিয়ে দিতে পারে বলে মনে করেন বাটলার, ‘টি–টোয়েন্টিতে বেশ কয়েকজন বড় মাপের খেলোয়াড় আছে। একজনই প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ম্যাচ বের করে নিয়ে যেতে পারে। টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের চরিত্রই এমন—অননুমেয়।’

অস্ট্রেলিয়ায় পা রাখার আগে পাকিস্তান সফর করেছিল ইংল্যান্ড। দলের সঙ্গে গেলেও ৭ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে কোনো ম্যাচ খেলেননি বাটলার, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মঈন আলী। বাটলার না খেললেও ইংল্যান্ড সিরিজ জিতেছিল ৪–৩ ব্যবধানে।

এরপর বিশ্বকাপের ফেবারিট–তত্ত্ব নিয়ে বিবিসির ‘টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল’–এ এক প্রশ্নের জবাবে বাটলার বলেছিলেন, ‘নিজেদের আমি একদমই ফেবারিট হিসেবে দেখছি না। নিজেদের দেখছি আমি বিপজ্জনক একটা দল হিসেবে, যাদের বিপক্ষে অন্য দলগুলো খেলতে ভয় পায়। আপনি যদি আমাদের লাইনআপের দিকে তাকান, দেখবেন বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান ও ম্যাচ জেতানো খেলোয়াড় আছে। আমরা শুধু মাঠে নেমে নিজেদের প্রতিভাকে প্রকাশ করতে চাই।’

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ২২ অক্টোবর, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সুপার টুয়েলভের ‘গ্রুপ–১’–এ ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং প্রথম রাউন্ড থেকে আসা দুটি দল।