সম্প্রচার শেষ ০৯ নভেম্বর ২০২২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান

০৭: ৩৩, নভেম্বর ০৯

স্বাগতম!

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আজ সিডনিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড। দুর্দান্ত এক ম্যাচের অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে এর আগে তিনটি সেমিফাইনালে কিউইদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে পাকিস্তান।

তবে সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের অভিজ্ঞতা আছে নিউজিল্যান্ডের। সেটা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড। চারবার জিতেছে পাকিস্তান, দুবার নিউজিল্যান্ড।

০৭: ৩৩, নভেম্বর ০৯

টস!

টস জিতেছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিউই অধিনায়ক।

০৭: ৪২, নভেম্বর ০৯

দুই দলেই কোনো পরিবর্তন নেই

আগের ম্যাচের দলে কোনো পরিবর্তন আনেনি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। আজ সেমিফাইনালে অপরিবর্তিত একাদশই খেলাবে দুই দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে আগের ম্যাচটি খেলেছে পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ড সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।

পাকিস্তান দল: মোহাম্মদ রিজওয়ান, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ হারিস, শান মাসুদ, ইফতিখার আহমেদ, শাদাব খান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও শাহিন আফ্রিদি।

নিউজিল্যান্ড দল: ফিন অ্যালেন, ডেভন কনওয়ে, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), গ্লেন ফিলিপস, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, মিচেল স্যান্টনার, টিম সাউদি, ইশ সোধি, লকি ফার্গুসন ও ট্রেন্ট বোল্ট।

০৭: ৫১, নভেম্বর ০৯

সিডনির উইকেট স্পিন সহায়ক হবে?

প্রশ্নবোধক চিহৃটা রেখেই সম্ভাবনাটা দেখা হচ্ছে। এসসিজির যে উইকেটে খেলা হবে সেই উইকেট আগে ব্যবহার করা হয়েছে। ম্যাচ এগিয়ে চলার সঙ্গে উইকেটও মন্থর হয়ে উঠবে। দুই দলেই দুজন করে বিশেষজ্ঞ স্পিনার আছেন। তবে নিউজিল্যান্ডের জিমি নিশাম ও ড্যারিল মিচেলের মিডিয়াম পেসও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

০৮: ১০, নভেম্বর ০৯

দ্বিতীয় বলে বাঁচলেন, তৃতীয় বলে ফিরলেন অ্যালেন

ক্যারিয়ারে বাঁহাতি পেসারের বিপক্ষে এর আগে পাওয়ারপ্লেতে সাত বার আউট হয়েছিলেন ফিন অ্যালেন। শাহিন শাহ আফ্রিদির বিপক্ষে ম্যাচআপ তাই ছিল দেখার মতো। সে ম্যাচআপে জিতলেন আফ্রিদি।

প্রথম ওভারের প্রথম বলে অফ স্টাম্পের বাইরে ফুললেংথ থেকে মিড অন দিয়ে চার মেরেছিলেন অ্যালেন। পরের বল ছিল লেগ স্টাম্পের ওপর ইনসুইং, অ্যালেন ব্যাটে-বলে করতে না পেরে হয়েছিলেন এলবিডব্লু। বেশ খানিকটা সময় নিয়ে সে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন মারাই এরাসমাস। তবে আল্ট্রা-এজে ছিল স্পষ্ট স্পাইক, সে দফা রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান অ্যালেন।

ঠিক পরের বলে আবার ফুললেংথে, আবারও লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে মিস করেন অ্যালেন। এবার এরাসমাস আউট দিতে সময় নেননি খুব একটা। অ্যালেন রিভিউ করেছিলেন, তবে বল ট্র্যাকিংয়ে তিনটি মানদণ্ডেই ছিল লাল।

বাঁহাতি পেসারের বলে পাওয়ারপ্লেতে অষ্টম বারের মতো আউট হলেন অ্যালেন। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড চাপে পড়ে গেল শুরুতেই।

০৮: ২০, নভেম্বর ০৯

কনওয়ের দুই চার

পরের ওভারে এসে ডেভন কনওয়ের বিপক্ষে আরও দুবার এলবিডব্লুর আবেদন করেছেন আফ্রিদি, সফল হননি। এর আগে দ্বিতীয় ওভারে নাসিম শাহর বলে দুটি চার মেরেছেন কনওয়ে, দুটিই মিডউইকেট দিয়ে।

৩ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ১৯/০।

০৮: ২১, নভেম্বর ০৯

সিডনিতে শুরুতেই রোমাঞ্চ

০৮: ২৩, নভেম্বর ০৯

সিডনিতে মেলবোর্ন? 

০৮: ৩০, নভেম্বর ০৯

কনওয়ে বনাম রউফ

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে হারিস রউফের ২৭ বলে ২৯ রান নিতে পেরেছেন কনওয়ে, আউট হয়েছেন চার বার। এ ম্যাচআপে চতুর্থ ওভারেই রউফকে এনেছেন বাবর আজম। কনওয়ে অবশ্য স্ট্রাইক পেয়েছেন মাত্র ১ বল, সেটিতে নিয়েছেন সিঙ্গেল।

পঞ্চম ওভারে চতুর্থ পেসার হিসেবে এসেছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। প্রথম ওভারে বাউন্ডারি দেননি কোনো, হয়তো একটি হতে পারত। দ্বিতীয় বলে উইলিয়ামসন ঘুরিয়ে খেলেছিলেন, ফাইন লেগে ডাইভ দিয়ে সেটি আটকে দিয়েছেন রউফ।

সর্বশেষ ১৮ বলে বাউন্ডারি আসেনি কোনো।

০৮: ৩৯, নভেম্বর ০৯

কনওয়ে রানআউট

প্রথম বলে কাভারের ওপর দিয়ে চার মেরে রউফের সঙ্গে ম্যাচআপে নিজেকে এগিয়ে নিয়েছিলেন কনওয়ে। তবে শেষ বলে সে সবের বাইরে গিয়ে রানআউট হয়ে ফিরতে হলো তাঁকে।

লেংথ বলে মিডঅফে খেলে সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন কনওয়ে। সরাসরি থ্রোয়ে স্টাম্প ভেঙেছেন শাদাব খান। কনওয়ে ডাইভও দেননি, ফিরেছেন ২০ বলে ২১ রান করে। এখন পর্যন্ত ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তানের শরীরী ভাষা দুর্দান্ত।

পাওয়ারপ্লেতে ৩৮ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। নিশ্চিতভাবেই ম্যাচের এ অংশে জয়ী পাকিস্তান।

০৮: ৪৬, নভেম্বর ০৯

নেওয়াজের স্পিনেই কাবু ফিলিপস

কেইন উইলিয়ামসন ও গ্লেন ফিলিপসের বিপক্ষে দুই প্রান্তেই স্পিনার এনেছেন বাবর। সপ্তম ওভারে লেগ স্পিনার শাদাব খানের পর এসেছেন বাঁহাতি অর্থোডক্স মোহাম্মদ নেওয়াজ। এমনিতে স্পিনে বেশ ভালো হলেও বাঁহাতি স্পিনে দূর্বলতা আছে ফিলিপসের।

নেওয়াজ সফলও হলেন! ফুললেংথের বলে ঘুরিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন ফিলিপস, বেশ দেরিতে। লিডিং-এজে দিয়েছেন ফিরতি ক্যাচ। ৮ বলে ৬ রান করে ফিরেছেন ফিলিপস। বল উইকেটে ধরেছে একটু, ফিলিপসের সর্বনাশ হয়েছে তাতেই।

এর আগে উইলিয়ামসনকে রানআউটের সুযোগ নিতে পারেননি নেওয়াজ। ফিলিপসের শটে নিজেই ফিল্ডিং করে উল্টো ঘুরে থ্রোয়ের বদলে আফসোস করছিলেন, তবে ক্রিজে ফেরার আগেই আটকে গিয়েছিল উইলিয়ামসনের ব্যাট।

দুই স্পিনারের প্রথম ২ ওভারে এসেছে ১১ রান, সঙ্গে ফিলিপসের উইকেট।

০৮: ৫২, নভেম্বর ০৯

১০ ওভারে ৫৮/৩

অ্যালেন, কনওয়ের পর ফিরেছেন ফিলিপস। উইলিয়ামসনের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের নায়ক ড্যারিল মিচেল। এ ম্যাচের অনেক কিছু হয়তো নির্ভর করছে এ জুটির ওপরই।

০৯: ০৯, নভেম্বর ০৯

উইলিয়ামসনের প্রথম বাউন্ডারি

২৯তম বলে নিজের প্রথম বাউন্ডারি তুলে নিলেন কেন উইলিয়ামসন। মিডউইকেট দিয়ে তুলে মারতে পছন্দ করেন। মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলটি একটু খাটো লেংথের ছিল। টেনে মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মারেন উইলিয়ামসন। পরের দুটি বলে এলবিডব্লুর আবেদন করেছে পাকিস্তান। দুবারই নিরাপদে বেঁচে যান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক।

নিউজিল্যান্ড ১৩ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৮৯।

০৯: ১৮, নভেম্বর ০৯

নিউজিল্যান্ডের এক শ

রানরেট বাড়ানোর চেষ্টা করছেন উইলিয়ামসন ও ড্যারিল মিচেল। ১৪তম ওভারে শাদাবকে একটি ছক্কাও মারেন মিচেল। ১৫তম ওভারের তৃতীয় বলে শাহিন আফ্রিদিকে চার মেরে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ এক শ পার করেন উইলিয়ামসন।

১৫ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১০৬।

০৯: ২৩, নভেম্বর ০৯

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা উইলিয়ামসন-মিচেলের

থ্রোটা ঠিকঠাক ধরতে পারলে রানআউট হতেন ড্যারিল মিচেল। হারিস রউফ মিস করে গেছেন সেটি। তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলেছিলেন, তবে মিড অফ থেকে পেছনে ছোটা বাবর নাগাল পাননি সেটির। শেষ বলে স্কুপ করেছিলেন, এবার ক্যাচের নাগাল পাননি মোহাম্মদ রিজওয়ান।

১০ ওভার শেষে পানি পানের বিরতির পর থেকে মোমেন্টাম নিজেদের দিকে আনার চেষ্টা করছে নিউজিল্যান্ড। এরপর ৬ ওভারে এসেছে ৫৮ রান। ৪৮ বলে ৬৭ রানে অবিচ্ছিন্ন মিচেল-উইলিয়ামসনের জুটি।

০৯: ২৭, নভেম্বর ০৯

উইলিয়ামসন ব আফ্রিদি

নিজের শেষ ওভারে এসে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু দিলেন আফ্রিদি। সিমের ওপর আঙুল ঘুরিয়ে স্লোয়ার করেছিলেন, উইলিয়ামসন গিয়েছিলেন স্কুপ করতে। নাগাল না পেয়ে হয়েছেন বোল্ড। কোনদিকে খেলা উচিত ছিল, এরপর শ্যাডো করছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। আপাতত সে সুযোগ নেই, ফিরে গেছেন ৪২ বলে ৪৬ রান করে। মিচেলের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ৫০ বলে ৬৮ রান।

০৯: ৩২, নভেম্বর ০৯

আফ্রিদি ২/২৪

দীর্ঘ চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপ দিয়েই ফিরেছিলেন। তবে শুরুতে ঠিক ছন্দে ছিলেন না আফ্রিদি। টুর্নামেন্টে নিজেদের অন্যতম অস্ত্রকে এরপর ধীরে ধীরে ফিরে পেয়েছে পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩ উইকেটের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। আজ ২৪ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট। শুরুতে অ্যালেনকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত করেছিলেন, এরপর শেষ ওভারে এসে নিয়েছেন উইলিয়ামসনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

০৯: ৪২, নভেম্বর ০৯

মিচেলের ফিফটি

৩২ বলে ফিফটি হলো মিচেলের। ক্যারিয়ারে এটি তৃতীয় ফিফটি তাঁর, এর মধ্যে দুটিই এলো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। ১ ওভার বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৪ উইকেটে ১৪৪ রান।

০৯: ৪৫, নভেম্বর ০৯

মিচেলের ৫৩*; নিউজিল্যান্ড ১৫২/৪

নিউজিল্যান্ডের এ ইনিংসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ড্যারিল মিচেল ক্রিজে আসার আগে ও পরে। অষ্টম ওভারে গ্লেন ফিলিপস ফেরার পর সময় নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৯ রান। সিডনিতে প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড গেল ১৫২ রান পর্যন্ত। তাতে মূল অবদান মিচেলের ৩৫ বলে ৫৩ রানের ইনিংসের।

শাহিন শাহ আফ্রিদির শুরুর আঘাতের পর দারুণ আঁটসাঁট বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে চেপে ধরেছিল পাকিস্তান। পানি পানের বিরতির পর একটু মোমেন্টাম পায় নিউজিল্যান্ড, উইলিয়ামসন-মিচেলের জুটিতে ওঠে ৬৮ রান। নিজের শেষ ওভার করতে এসে উইলিয়ামসনকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু দেন আফ্রিদি।

শেষ ১০ ওভারে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ৯৪ রান।

এমসিজিতে ভারতের বিপক্ষে ওই ম্যাচের পর এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম ১৩০ রানের বেশি দিল পাকিস্তান।

সিডনিতে এবারের বিশ্বকাপই একবারই জিতেছে পরে ব্যাটিং করা দল, সুপার টুয়েলভে নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।

১০: ০৩, নভেম্বর ০৯

জীবন পেলেন রিজওয়ান

প্রথম বলেই কাভার দিয়ে চার মেরে শুরু করেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। বোল্টের বলে এরপর এজড হয়েছিলেন পাকিস্তান ওপেনার। উইকেটকিপার ডেভন কনওয়ের গ্লাভসে লেগে বেরিয়ে গেছে সেটি।

১৫৩ রান লক্ষ্য, সঙ্গে কন্ডিশন মিলিয়ে রিজওয়ান-বাবরের জন্য আদর্শ মঞ্চ হওয়ার কথা। অবশ্য বাবর ফর্মে নেই। পাওয়ারপ্লেতেই এ জুটি ভেঙে পাকিস্তানকে চাপে ফেলার সুযোগ নিউজিল্যান্ডের সামনে।

১০: ১০, নভেম্বর ০৯

বোল্টের ওভারে ১৫

প্রথমটি বাবর, পরের দুটি রিজওয়ান—বোল্টকে ১ ওভারে ৩ চার মেরেছেন দুই পাকিস্তান ওপেনার। বোল্টের ওভারে এসেছে ১৫ রান। দারুণ শুরু বাবর-রিজওয়ানের। ৩ ওভারে পাকিস্তান ২৪/০।

১০: ১৮, নভেম্বর ০৯

সাউদির ওপরও চড়াও রিজওয়ান-বাবর

স্ট্রেইট ড্রাইভে চার মেরে লকি ফার্গুসনকে স্বাগত জানিয়েছিলেন বাবর। সে ওভারে আর বাউন্ডারি আসেনি, উঠেছে ৮ রান।

পরের ওভারে টিম সাউদির প্রথম দুই বলে কাউ কর্নার দিয়ে দুটি চার মেরেছেন রিজওয়ান। পঞ্চম বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে চার মেরেছেন বাবর। সাউদির ওভারেও এসেছে ১৫ রান। পাওয়ারপ্লের ১ ওভার বাকি থাকতেই নিউজিল্যান্ডের (৩৮) স্কোর ছাড়িয়ে গেছে পাকিস্তান (৪৮/০)।

১০: ২৭, নভেম্বর ০৯

পাকিস্তান ৫৫/০

দুই দলেরই বোলিং আক্রমণ বেশ ভালো, ফলে পাওয়ারপ্লের লড়াই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ফিন অ্যালেনের ওপর অনেকটাই নির্ভর করা নিউজিল্যান্ড সুবিধা করতে পারেনি ব্যাটিংয়ে, ৩৮ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়েছিল তারা।

অন্যদিকে বাবর-রিজওয়ানের জুটি সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি টুর্নামেন্টে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৭ রান তুললেও দুজনের জুটি খেলেছিল ৬৩ বল। আজ সেমিফাইনালে উপযুক্ত কন্ডিশন পেয়ে এগিয়ে এলেন দুজন।

পাওয়ারপ্লেতেই অবিচ্ছিন্ন থেকে ৫৫ রান তুলে ফেলেছেন তাঁরা।

সপ্তম ওভারেই মিচেল স্যান্টনারকে এনেছেন কেইন উইলিয়ামসন। লেগ সাইডের বাইরের বলে বাউন্ডারি দিয়েছেন, এরপর অবশ্য বাবরের বিপক্ষে রিভিউ নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। বল ট্র্যাকিং দেখিয়েছে, বল চলে যেত স্টাম্পের ওপর দিয়ে।

পাওয়ারপ্লের অংশে পিছিয়ে থাকার পর নিউজিল্যান্ডের ম্যাচে ফিরতে মাঝের ওভারগুলোতে যেমন রান চেক দিতে হবে, লাগবে উইকেটও। স্যান্টনারের সঙ্গে ইশ সোধির ওভারগুলো গুরুত্বপূর্ণ তাই। অষ্টম ওভারে এসেছেন সোধি।

১০: ৩১, নভেম্বর ০৯

এখন পর্যন্ত দারুণ সময় কাটছে তাদের...

১০: ৩৭, নভেম্বর ০৯

দৌড়া…

পুরো ইনিংসে ১০টি চারের সঙ্গে ২টি ছক্কা মেরেছে নিউজিল্যান্ড। তবে নিয়েছে এবারের টুর্নামেন্ট-রেকর্ড ২১টি ডাবলস।

পাকিস্তান প্রথম ১০ ওভারেই মেরেছে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে একটি বেশি চার, যার সর্বশেষটি এসেছে সোধির বলে বাবরের করা দারুণ এক কাটে। তবে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটেও এখন পর্যন্ত ভালোই করছেন বাবর-রিজওয়ান।

ইনিংসের মাঝপথে পাকিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৮৭ রান।

১০: ৪৫, নভেম্বর ০৯

বাবরের ফিফটি

আগের ৫ ম্যাচে করেছিলেন ৩৯ রান। তবে ম্যাথু হেইডেন প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন বাবর-ঝড় দেখার জন্য। টুর্নামেন্টে প্রথম ফিফটি করতে সেমিফাইনালকে বেছে নিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ৩৮ বলে মাইলফলকে পৌঁছে গেছেন বাবর। পানি পানের বিরতির পরও পাকিস্তান ছুটছেই, শেষ ৫৪ বলে মাত্র ৫৫ রান প্রয়োজন তাদের।

১০: ৪৮, নভেম্বর ০৯

শত রানের জুটি

বাবরের ফিফটির পর রিজওয়ানের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ১০০ রান। এ নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো শত রানের জুটি গড়লেন বাবর ও রিজওয়ান, যে রেকর্ড নেই আর কোনো জুটির।

১০: ৫৩, নভেম্বর ০৯

অবশেষে থামলেন বাবর

বোল্টকে তুলে মেরেছিলেন বাবর, লং অনে ধরা পড়েছেন মিচেলের হাতে। অবশেষে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড, যেটিতে উঠেছে ১০৫ রান। বাবর ফিরেছেন ৪২ বলে ৫৩ রান করে।

১০: ৫৭, নভেম্বর ০৯

আরেকটি রিভিউ হারাল নিউজিল্যান্ড

মুখোমুখি দ্বিতীয় বলেই বোল্টকে চার মেরে শুরু করেছেন মোহাম্মদ হারিস। এরপর সোধিকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে মিস করেছিলেন, নিউজিল্যান্ড নিয়েছিল এলবিডব্লুর রিভিউ। সফল হয়নি সেটি।

১০: ৫৯, নভেম্বর ০৯

রিজওয়ানেরও ফিফটি

সোধির বলে লং অনে দিকে খেলে সিঙ্গেল, ক্যারিয়ারের ২৩তম ফিফটি তাতেই হয়ে গেল রিজওয়ানের। লাগল ৩৬ বল।

১১: ০৮, নভেম্বর ০৯

২৪ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ২৬ রান। সিডনিতে শেষে হবে কোনো নাটক?

১১: ১৬, নভেম্বর ০৯

ফিরলেন রিজওয়ান

বোল্টের ফুলটসে তুলে মারতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ দিয়েছেন রিজওয়ান। তবে সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। গ্লেন ফিলিপস ক্যাচ ধরার পর উদ্‌যাপন শেষ করার আগেই থ্রো করেছেন নন স্ট্রাইক প্রান্তে, যেখানে ডাবলস নিতে গিয়ে ফিরতে ধরেছিলেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত টেলিভিশন আম্পায়ার নো ডাকেননি, রিজওয়ান ফিরেছেন ক্যাচ আউট হয়েই। ৪৩ বলে ৫৭ রান করেছেন রিজওয়ান।

১৮ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ২১ রান।

১১: ১৯, নভেম্বর ০৯

১২ বলে ৮

১৫ বলে প্রয়োজন ছিল ১৯ রান, হয়তো নিউজিল্যান্ড দেখছিল শেষ কোনো সুযোগ। হারিস ভাবলেন অন্য কিছু।

প্রথমে মিড অফ দিয়ে চার। এরপর লকি ফার্গুসনের শর্ট বলে পুল করে ছক্কা! চাপ থেকে থাকলে সেটি উড়ে গেছে। ১২ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৮ রান।

১১: ২৪, নভেম্বর ০৯

ফিরলেন হারিস

স্যান্টনারকে সুইপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে বৃত্তের ভেতর অ্যালেনের হাতে ধরা পড়েছেন হারিস, ২৬ বলে ৩০ রান করে। বিশ্বকাপ ফাইনালে যেতে ৬ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ২ রান।

১১: ২৭, নভেম্বর ০৯

ফাইনালে পাকিস্তান

টিম সাউদির বলে মিড অফে খেলে সিঙ্গেল নিলেন শান মাসুদ। রান পূর্ণ করার আগেই শুরু করে দিলেন উদ্‌যাপন। কেন করবেন না! এ জয়টা তো বিশেষ কিছুই পাকিস্তান ক্রিকেটে!

তিন দিন আগেও টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় ছিটকে পড়েছিল পাকিস্তান। সেই তারাই আগামী ১৩ নভেম্বর খেলবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। প্রথম সেমিফাইনালে সিডনিতে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ফাইনালে চলে গেছে পাকিস্তান। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসর—২০০৭ ও ২০০৯ সালে ফাইনালে খেলেছিল তারা।

১৫২ রান তাড়ায় পাকিস্তানকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান, তাদের ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১০৫ রান। নিউজিল্যান্ড মূলত ছিটকে যায় সেখানেই। এরপর বাবর, রিজওয়ানকে ফেরাতে পারলেও সেটি বেশ দেরি হয়ে গেছে কিউইদের। সিডনির এ উইকেটে ১৫২ রান ডিফেন্ড করতে অসাধারণ কিছু করতে হতো বোলিংয়ে, সেটি হয়নি।

টসে হেরে ফিল্ডিং করতে হয়েছিল পাকিস্তানকে, দুই অধিনায়কই যেখানে আগে ব্যাটিং করতে চেয়েছিলেন। তবে প্রথম ওভারেই ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়ে যেন গতিপথটা ঠিক করে দিয়েছিলেন আফ্রিদি। পরে ড্যারিল মিচেলের ফিফটিতে ১৫০ পেরোলেও পাকিস্তানকে আটকাতে পারল না নিউজিল্যান্ড।

১১: ৩৬, নভেম্বর ০৯

ম্যাচসেরা রিজওয়ান

আমি আর বাবর নতুন বলে চড়াও হতে চেয়েছি, উইকেট কঠিন ছিল। পাওয়ারপ্লে শেষের পর আলোচনা ছিল এমন, একজনকে ক্রিজে থাকতে হবে। সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছে, আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করেছি।
মোহাম্মদ রিজওয়ান, সেমিফাইনালে জয়ের পর
১১: ৩৮, নভেম্বর ০৯

১৯৯২ সালের জ্বর

১১: ৪৫, নভেম্বর ০৯

এমন জয়ের পর...