এমনিতে জানুয়ারিতেই হয় অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ। তবে সাধারণত অস্ট্রেলীয় গ্রীষ্মে আন্তর্জাতিক সূচির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিগ ব্যাশে দেখা যায় না জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের। তবে এবার বিগ ব্যাশের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচ রাখেনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ২০১৩ সালের পর থেকে বিগ ব্যাশে খেলেননি ওয়ার্নার, কোনো দলের সঙ্গে চুক্তিও নেই তাঁর।

default-image

অন্যদিকে আগামী বছরই চালু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন লিগের মতো আরব আমিরাতের লিগেও আছে ভারতীয় বিনিয়োগ। আইপিএলের তিন দল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিকের দল আছে সেখানে। আইপিএলে দিল্লির হয়েই খেলেন ওয়ার্নার। মূলত টাকার অঙ্কই শেষ পর্যন্ত টেনে আনতে পারে ওয়ার্নারের মতো খেলোয়াড়কে। সে ক্ষেত্রে বড় ধাক্কাই খাবে বিগ ব্যাশ।

বিগ ব্যাশে সাধারণত কোনো বিদেশি ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ বেতন হয় ২ লাখ ৩৮ হাজার মার্কিন ডলার। আরব আমিরাতের নতুন এ টি-টোয়েন্টি লিগ সেখানে দেবে প্রায় দ্বিগুণ। এদিক থেকে স্বাভাবিকভাবেই সবার ওপরে আইপিএল, সেখানে প্রতি মৌসুমে একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার পেতে পারেন। পিএসএলে এ অঙ্কটা ২ লাখ, দ্য হানড্রেডে ১ লাখ ৬৪ হাজার।

default-image

আরব আমিরাতের এ লিগে বিদেশি ক্রিকেটারের উপস্থিতিও থাকবে ব্যাপক। ১৮ জনের দলে রাখা যাবে ১২ জন পর্যন্ত বিদেশি ক্রিকেটার। অবশ্য এর মধ্যে কমপক্ষে দুজন হতে হবে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর, তিনজন থাকবেন আরব আমিরাতের, রাখতে হবে আরব আমিরাতের অনূর্ধ্ব-২৩ বয়সী একজনকেও। তবে প্রতি ম্যাচে আরব আমিরাত ও সহযোগী দেশগুলো থেকে একজন করে খেলোয়াড়সহ দলগুলো সর্বোচ্চ ৯ জন বিদেশি খেলাতে পারবে।

সব মিলিয়ে ক্রিকেটারদের বেতন ভাগ করা হয়েছে নয়টি ভাগে। সর্বনিম্ন ১০ হাজার মার্কিন ডলার থেকে আছে ৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারের শ্রেণি। তবে দলগুলো থেকে কোনো খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ১ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বোনাস পেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একজনের সর্বোচ্চ বেতন হতে পারে ৪ লাখ ৫০ হাজার।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন