তিতে (ব্রাজিল)

বেতন: ৩৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
২০১৪ বিশ্বকাপে বেদনাদায়ক বিদায়ের পর ব্রাজিলের দায়িত্ব নেন তিতে। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তাঁর ওপর আস্থা রেখেছে। এরই মধ্যে অবশ্য ব্রাজিলকে ২০১৯ কোপা আমেরিকা জিতিয়েছেন তিতে।

তাতা মার্তিনো (মেক্সিকো)

বেতন: ২৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনার মতো দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে মার্তিনোর। ২০১৯ সালে মেক্সিকোর দায়িত্ব নেওয়া এই আর্জেন্টাইনের সামনে গ্রুপ পর্বে নিজ দেশ আর্জেন্টিনাও আছে।

লুই ফন গাল (নেদারল্যান্ডস)

বেতন: ২৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
কোচ হিসেবে লুই ফন গালের অভিজ্ঞতা প্রচুর। ২০১৪ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া নেদারল্যান্ডসের দায়িত্বে ছিলেন ৭১ বছর বয়সী এই কোচ। কাতার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচও তিনিই।

লিওনেল স্কালোনি (আর্জেন্টিনা)

বেতন: ২৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
কোচ হিসেবে অভিজ্ঞতা বেশি দিনের নয়। বড় কোনো দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব আর্জেন্টিনাকে দিয়েই শুরু। সাবেক এই ফুটবলার ২০১৮ বিশ্বকাপে ছিলেন হোর্হে সাম্পাওলির সহকারী। এরই মধ্যে ২০২১ কোপা আমেরিকা জিতেছেন তিনি।

ফেলিক্স সানচেজ (কাতার)

বেতন: ২৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
কাতার গত কয়েক বছর ফুটবল দলের পেছনে প্রচুর টাকা ঢেলেছে। যার মধ্যে আছে কোচের বেতনের খাতও। বার্সেলোনার যুব দলে খেলা সানচেজ ২০১৩ সালে কাতার অনূর্ধ্ব–১৯ দল দিয়ে দেশটিতে কোচিং শুরু করেন। জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন ২০১৭ সালে।

ফার্নান্দো সান্তোস (পর্তুগাল)

বেতন: ২২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
পর্তুগালের সবচেয়ে সফল কোচ তিনি। ২০১৬ সালে তার অধীনে ইউরো জিতেছে পর্তুগাল। ২০১৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন টানা ৮ বছর ধরে। তবে ২০২০ ইউরোয় পর্তুগালের ব্যর্থতার কারণে এই মুহূর্তে কিছুটা চাপে আছেন।

মুরাত ইয়াকিন (সুইজারল্যান্ড)

বেতন: ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার
বয়স ৪৮ বছর, তবে এর মধ্যে কোচিং ক্যারিয়ার ১৬ বছরের। ক্লাব পর্যায়ে ১৫ বছর কাজ করার পর গত বছর ইউরোর পর সুইজারল্যান্ডের দায়িত্ব নেন ইয়াকিন, বেতনও পাচ্ছেন সেরাদের মতোই।