ম্যান সিটি ইতিমধ্যে চলতি মৌসুমে ২১টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। আরও একটি ম্যাচ সামনে অপেক্ষা করছে। এরপর দলের খেলোয়াড়েরা যাবেন বিশ্বকাপ খেলতে। এরই মধ্যে সিটির দুই তারকা কাইল ওয়াকার এবং কালভিন ফিলিপস চোটে পড়ে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কায় আছেন।

গার্দিওলা বলেছেন, বিশ্বকাপ যতই সামনে এগিয়ে আসছে, দলের খেলোয়াড়েরা কেমন বোধ করছেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন। গার্দিওলার মতে, ‘আমাদের সামনে পাগলাটে এক বিশ্বকাপ এবং খেলোয়াড়েরা বিশ্রাম নিতে পারছেন না।’

বিশ্বকাপের আগেই শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে খেলোয়াড়েরা। চোটও থাবা বসাচ্ছে একের পর এক। এরপরও বিশ্বকাপ বলে কথা! এমন আয়োজনে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও বারবার আসবে না।

বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড়েরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন জানিয়ে গার্দিওলা আরও বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের চোখ বিশ্বকাপে। যদি কেউ ব্রেন্টফোর্ড ম্যাচে চোটে পড়ে (বিশ্বকাপের আগে সিটির শেষ ম্যাচ) তাতে ওপর প্রিমিয়ার লিগে জেতা কিংবা হারা নির্ভর করছে না। তবে এমন কিছু হলে আপনি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না!’

জার্মানিতে বুন্দেসলিগার খেলার সূচির সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগের সূচির তুলনা টেনে কিছুটা আক্ষেপ নিয়ে গার্দিওলা বলেছেন, ‘এটা নিয়ে না ভাবাই ভালো। যদি আমাদের কাছে জাতীয় দলের খেলোয়াড় না থাকে তবে একাডেমি খেলোয়াড়দের নিয়েই এগোতে হবে। জার্মানিতে বিশ্বকাপের পর প্রথম ম্যাচ খেলা হবে জানুয়ারির ২০ তারিখ। আর আমরা শুরু করব ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ।’