২৩ বছর বয়সী সেই নারীর অভিযোগ, বার্সেলোনার সাটন নৈশক্লাবে গত ৩০ ডিসেম্বর আলভেজ তাঁকে যৌন হয়রানি করেন। এই অভিযোগ ও সরকারি কৌঁসুলির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘টিভি৩’ জানিয়েছে, বিচারকের সামনে জবানবন্দিতে আলভেজ স্বীকার করেছেন, সেদিন ওই নৈশক্লাবে তিনি গিয়েছিলেন। তবে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিলেন এবং কাউকে যৌন হয়রানি করেননি। কাতালুনিয়ার পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে যেসব আলামত উদ্ধার করেছে, সেসবের সঙ্গে আলভেজের জবানবন্দির বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ‘টিভি৩’ জানিয়েছে, আলভেজ তাঁর জবানবন্দিতে তিন রকম কথা বলেছেন। এক. আলভেজ বলেছেন, অভিযোগকারী নারীকে তিনি চেনেন না। দুই. আলভেজ বলেছেন, অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে কিন্তু কিছু ঘটেনি। তিন. আলভেজ বলেছেন, অভিযোগকারী নারীই তাঁর গায়ে ঢলে পড়েছেন।

জবানবন্দিতে কথার মিল না থাকায় আলভেজকে তাই বিচারকের সামনে আবারও দাঁড়াত হবে। পেশাদার ফুটবলে সবচেয়ে বেশি শিরোপাজয়ী এ ফুটবলারের ভাই নেই আলভেজ ব্রাজিল থেকে স্পেনের টিভি চ্যানেল ‘টেলেচিনচো’র অনুষ্ঠান ‘ফিয়েস্তা’য় যোগ দিয়ে বলেছেন, ‘পরিস্থিতি বিচারে আমাদের কিছুই করার নেই। তবে আমার মনে হয় আইনজীবী (আলভেজের) নিজের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছে না।’ আলভেজের বর্তমান আইনজীবী মিরাইদা পুয়েন্তে উইসলনকে পাল্টে আন্দ্রেস মারহুয়েন্দাকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে টেলেচিনচো। দানি আলভেজের আরেক ভাই জুনিয়র আলভেজ বলেছেন, ‘আমি আর নিতে পারছি না। তার সঙ্গে দেখাও করা যাবে না। কী করা উচিত, সেটাও বুঝতে পারছি না। তবে তাকে ওই দোজখ থেকে বের করতে যদি জীবনও দিতে হয়, আমরা দেব।’

আলভেজের সাবেক স্ত্রী দিনোরা সানতানাও তাঁর পক্ষে কথা বলেছেন, ‘দানি এমন কিছু কখনো করতে পারে না। তাকে ২২ বছর ধরে চিনি, আর ১০ বছর দাম্পত্যজীবন ছিল আমাদের।’ ২০১১ সালে দিনোরার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় আলভেজের। তাঁর বর্তমান স্ত্রীর নাম জোয়ানা সাঞ্জ।