তুরস্ককে উড়িয়ে জয়ে ফিরল ইতালি

ইতালির চতুর্থ গোলের পর সান্দ্রো তোনালির উচ্ছ্বাসরয়টার্স

ইতালি ৪ : ১ তুরস্ক

ইতালিকে এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতেই হতো।

আগের ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হতাশার হার, সামনে আবার ফ্রান্সের কঠিন পরীক্ষা—এর মাঝখানে তুরস্কের বিপক্ষে জয়টা শুধু তিন পয়েন্টের হিসাব ছিল না। রবার্তো মানচিনির দলের জন্য এটি ছিল নিজেদের হারিয়ে যাওয়া ছন্দের কিছুটা ফিরে পাওয়ার সুযোগ। সেই সুযোগটা তারা কাজে লাগাল দারুণভাবেই।

উয়েফা নেশনস লিগ গ্রুপ ‘এ’র ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইতালি। একটি করে গোল করেছেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি, মাইকেল কায়োদে ও ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো।

বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরে যাওয়া দল থেকে আজ একাদশে আটটি পরিবর্তন আনেন মানচিনি। সেই বদলগুলোর বেশির ভাগ কাজেও দিয়েছে। শুরু থেকেই বল দখল আর তুরস্কের রক্ষণে চাপ তৈরিতে স্বচ্ছন্দ দেখা গেছে ইতালিকে। যার ফল, প্রথম আধা ঘণ্টার ভেতরেই তিন গোল।

প্রথমটি নবম মিনিটে। কর্নারে তুরস্কের রক্ষণ বল ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে না পারায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে জোরালো শটে বল জালে পাঠান বাস্তোনি জোরালো শটে বল জালে পাঠান। ২২ মিনিটে ২-০ করেন দাভিদে ফ্রাত্তেসি।

পাঁচ মিনিট পর গোলদাতার খাতায় নাম লেখান অভিষিক্ত মাইকেল কায়োদে। অ্যাসিস্ট করেন এসপোসিতো।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এই এসপোসিতো নিজেও গোল করেন। ৫০তম মিনিটে নিকোলো কামবিয়াঘির শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে রিবাউন্ডে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন এই ইন্টার মিলান স্ট্রাইকার।

আরও পড়ুন

এসপোসিতোর জন্য ম্যাচটা কিক-অফ থেকেই বিশেষ ছিল। ইতালির হয়ে একসঙ্গে খেলতে নামেন তিনি ও তাঁর ভাই সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতো। ইতালি জাতীয় দলের হয়ে একই ম্যাচে মাঠে নামা ভাইদের তালিকায় তাঁরা চতুর্থ।

এর আগে এই কীর্তি ছিল ফিলিপ্পো ও সিমোনে ইনজাগি (২০০০ সালে দুবার), আলদো ও লুইজি চেভেনিনি (১৯১৫ সালে একবার) এবং জুসেপ্পে ও ফেলিচে মিলানোর (১৯১২-১৩ মৌসুমে তিনবার)।

তুরস্কের কোচ হিসেবে নিজের দেশ ইতালির কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন ভিনচেৎসো মন্তেলা
রয়টার্স

এসপোসিতোর ওই গোলের আগে ৪৭তম মিনিটে তুরস্কের হয়ে এক গোল শোধ দেন বারিস ইলমাজ। এই গোলে অবশ্য তুরস্কের কৃতিত্বের চেয়ে ইতালি রক্ষণের ভুলের দায় বেশি।

এরপর তুরস্ক কিছুটা চাপ তৈরি করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর হাতছাড়া করেনি ইতালি। ৫৭ মিনিটে ইলমাজের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪–১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মানচিনির দল।

আরও পড়ুন