কাতার বিশ্বকাপে অ্যালকোহলিক বিয়ারের তুলনায় নন-অ্যালকোহলিক বিয়ারের দাম কম। আধা লিটারের এক গ্লাস নন-অ্যালকোহলিক বিয়ারের দাম ৩০ কাতারি রিয়াল বা ৮.২৪ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫০ টাকা। একই ওজনের এক গ্লাস পানির দাম ১০ কাতারি রিয়াল বা ২.৭৫ ডলার। অর্থাৎ কাতার বিশ্বকাপে এক গ্লাস পানি খেতে প্রায় ২৮৩ টাকা খরচ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মারফত কাল রাতে এই দাম নিশ্চিত করেছে ‘গ্লোবো’।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে বড় স্পনসরগুলোর একটি বিয়ার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বাডওয়েজার। বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রির এক্সক্লুসিভ স্বত্বও যুক্তরাষ্ট্রের এই বিয়ার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের। দোহায় ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পার্কে বিয়ার বিক্রি করবে বাডওয়েজার। এ ছাড়া স্টেডিয়ামের আশপাশে টিকিট নিয়ে ঢুকতে হয়, এমন এলাকার মধ্যেও বিয়ার বিক্রি করা হবে।

কাতারে অফিশিয়ালি ৬৫.৫ শতাংশ নাগরিক ইসলাম ধর্মের। সেখানে পাবলিক প্লেসে অ্যালকোহল পান নিষিদ্ধ। গ্লোবো জানিয়েছে, অন্য সব বিশ্বকাপের মতো এবার স্টেডিয়ামের ভেতরে বিয়ার পান করা যাবে না। গ্যালারিতে বিয়ার পান করা নিষিদ্ধ। তবে কেবিনে করা যাবে। সাধারণ দর্শকেরা স্টেডিয়ামে নিরাপত্তারক্ষীদের আওতাধীন এলাকার মধ্যেই বিয়ার কিনতে পারবেন।

বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচের তিন ঘণ্টা আগে সাধারণ দর্শকের জন্য স্টেডিয়ামের গেট খোলা হবে। তখন থেকেই বিয়ার কিনতে পারবেন দর্শকেরা। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান এবং ফাইনালে চার ঘণ্টা আগেও গেট খোলা হতে পারে। তবে কিক অফের ৪০ মিনিট আগে বিয়ার ও অন্যান্য খাবার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হবে। ম্যাচ শেষে আবার বিয়ার বিক্রি শুরু হবে এক ঘণ্টার জন্য।

কাতার বিশ্বকাপে বিয়ারের যে দাম, তা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে দামি বিয়ারের চেয়েও বেশি। আর্সেনালের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে ৪৭৩ মিলিলিটার বিয়ারের দাম ৬.৩৫ পাউন্ড বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৭৬ টাকা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে সমপরিমাণ ওজনের বিয়ারের দাম ৩ পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬৬ টাকা।