হ্যাঁ, নিজেদের ‘বি’ দলের জন্য আজানকপোকে সই করিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। অনুশীলন করবেন মানেদের সঙ্গেই। কোচ ইউলিয়ান নাগলসমানকে মুগ্ধ করতে পারলে খুলে যাবে মূল স্কোয়াডের দরজা।

মানের সঙ্গে আজানকপোর সম্পর্কটা অনেক আগের। সেনেগালের জেনারেশন ফুত একাডেমির হয়ে খেলতেন দুজনই। সেখান থেকে দুজনই নাম লেখান ফ্রান্সের ক্লাব মেৎসে। এরপর থেকেই বেঁকে যেতে থাকে দুজনের পথ। মেৎসে আলো ছড়িয়ে অস্ট্রিয়ার ক্লাব রেড বুল সালজবুর্গে নাম লেখান মানে। সেখান থেকে সাউদাম্পটন, লিভারপুল। লিভারপুলের হয়ে সম্ভাব্য সবকিছুই জিতেছেন। এখন ভিন্ন চ্যালেঞ্জের আশায় পাড়ি জমিয়েছেন বায়ার্নে।

default-image

ওদিকে আজানকপোর রাস্তা এত ঊর্ধ্বমুখী ছিল না। মেৎসের মূল দলে সুযোগ পাননি, সেখান থেকেই ইউরোপের নিচুসারির দেশগুলোর লিগে ডাক পড়ে তাঁর। স্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, লুক্সেমবার্গের বিভিন্ন ক্লাবে খেলে আবারও পাড়ি জমান ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের দ্বিতীয়-তৃতীয় বিভাগে।

জাতীয় দলের হয়ে অবশ্য নিয়মিতই তিনি। মানে সেনেগালে খেললেও, তিনি খেলেন বেনিনের হয়ে। এর মধ্যেই সাত ম্যাচ খেলে ফেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। ২০১৯ আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসে বেনিনের স্কোয়াডে ছিলেন, ২০২৩ আফকনের বাছাইপর্বে লড়েছেন মানের সেনেগালের বিপক্ষেও।

ফ্রান্সের ক্লাব ডানকার্কির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর কাজ ছিল না, বন্ধু মানের গাড়িচালকের কাজ করা শুরু করে দেন। আপাতত মানেকে অনুশীলন মাঠে নামিয়ে দেওয়ার কাজই করছিলেন। হয়তো বায়ার্নের অনুশীলন মাঠে বলে দু-একটা লাথিও দিয়েছেন।

সে লাথি দেখেই হয়তো চোখে পড়েছেন বায়ার্নের কর্তাব্যক্তিদের, না হয় এমন বড় সুযোগ পান কী করে! বলা হচ্ছে, মানে নিজেই বায়ার্নে আজানকপোর ট্রায়ালের ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। ট্রায়ালে আজানকপো যে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে ভোলেননি, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন