ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোরও সেই ক্ষমতা একদা ছিল। এখন সে কতটা পার্থক্য গড়তে পারবে, সংশয় আছে। নিজ দলকে মাঠে উজ্জীবিত করার ক্ষমতাও তার কমে এসেছে। ভালো বিকল্প না থাকায় হয়তো দলে এখনো সমাদর পায় রোনালদো। তবে আমি মনে করি, রোনালদোর সাম্প্রতিক কালে যা পারফরম্যান্স, তাতে তাকে নিয়ে বাজি ধরা ঝুঁকিপূর্ণ। কাতারে দারুণ কিছু করে রোনালদো নজর কাড়বে বলে মনে হয় না। সেটা সে না পারলে ঘানার সঙ্গে আজ জিততে ঘাম ঝরতে পারে পর্তুগালের।

ঘানার সমস্যা হলো, ভালো খেলতে খেলতে একটা সময় মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। দেখা যায়, মাঠে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু করে দেয় আফ্রিকার দেশটি। এটুকু বাদ দিলে এমনিতে ঘানা ফুটবল জাতি। ওরা আজ মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে পারলে পর্তুগালের জন্য সহজ হবে না ৩ পয়েন্ট পাওয়া।

উরুগুয়েকেও চাপে ফেলার ক্ষমতা রাখে দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়ানদের রানিং, ছায়া রানিং—সবই ভালো। এই কাজটা আজ ভালোভাবে করে যদি তারা প্রতিপক্ষের ব্যাক অব দ্য ডিফেন্সে বল ফেলতে পারে এবং খেলোয়াড়েরা সেই বল পায়ে জমাতে পারে, তাহলে উরুগুয়ের জন্য বিপদ আছে।

সৌদি আরবের ফুটবলাররা যেমন বিপদে ফেলেছে আর্জেন্টিনাকে। তবে উরুগুয়ে দলটা মানসিকভাবে পরিপক্ব, টেকনিক্যালি ভালো। দুবারের সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের অনেক ফুটবলারই ইউরোপে খেলে। তাই কোরিয়ার বিপক্ষে আজ লুইস সুয়ারেজদেরই জেতার সম্ভাবনা বেশি।

সুইজারল্যান্ডও মনে হয় ক্যামেরুনের বিপক্ষে জিতে যাবে। ক্যামেরুনের ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতা ভালো। তবে ওদের একটু মেরে খেলার প্রবণতা আছে, সেটা নিয়ন্ত্রণ না করলে ভুগতে হবে মাঠে।