সেমিনারের প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তখনই সম্ভব হবে, যদি আমাদের দেশের ডিজিটাল যন্ত্র এবং ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারকারীরা সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করেন।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এফআরডিসি প্রকল্প যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেসব বাংলাদেশের যুবকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার আজিজুল ইসলামসহ অনেকে।

ডিনেটের নির্বাহী পরিচালক এম শাহাদাত হোসেন সেমিনারে বলেন, ‘বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের সঙ্গে থাকে সমান দায়িত্ব। তাই অন্যায্য, বিদ্বেষপূর্ণ ও ভুল তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আমরা চাই, আমাদের তরুণেরা তাদের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার প্রয়োগ করে বিবেকবান নাগরিক হোক।’

এফআরডিসির প্রকল্প ব্যবস্থাপক আসিফ আহমেদ সমাপনী মন্তব্যে বলেন, ‘আশা করি, ডিজিটাল জগতে দায়িত্বশীল ও আইনানুগভাবে বিচরণ করার গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করে আমরা সমাজে একটি ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।’

এই সেমিনারের লক্ষ্য হলো, তরুণদের বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত যুবক ও কিশোর-কিশোরীদের সমর্থনে সুরক্ষা ব্যবস্থা, নীতি ও আইন শক্তিশালী করার ব্যাপারে কথা বলা। সেমিনারে আলোচিত বিষয়গুলোতে ডিনেট সরকারি ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

ডিনেট ফস্টার রেসপনসিবল ডিজিটাল সিটিজেন টু প্রমোট ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ইন বাংলাদেশ (এফআরডিসি) নামের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর অর্থায়ন করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ফ্রেডরিক নওম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম। প্রকল্পের আওতায় ডিনেট দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করে ঢাকা ও রাজশাহীতে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন